দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল আজ প্রতারণা মামলায় জামিন পেয়েছেন। ঢাকার একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন, যা তার গ্রেপ্তারের পর কার্যকর হয়েছে।
আদালতের শুনানিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ নোবেলের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত জানিয়েছে, জামিন আপোসের ভিত্তিতে ১,০০০ টাকার মুচলেকায় মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান থাকবে এবং আদালতের শর্ত পূরণে নোবেল মুক্ত হয়েছেন।
মামলাটি করা হয়েছিল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নোবেল এক তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে সময় কাটানোর পর অর্থ গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি অভিযোগে বলা হয়েছে, নোবেল কিছু পরিস্থিতিতে হেনস্থা ও আপত্তিকর ছবি/ভিডিও করার চেষ্টা করেছিলেন।
পুলিশের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI) মামলাটি তদন্ত করে। নোবেলসহ তার পরিবারের কয়েকজনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে।
নোবেল আগেও একটি পৃথক ধর্ষণ ও হেনস্থা সংক্রান্ত মামলায় জড়িত ছিলেন এবং সেই মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আদালত জানায়, আপোসের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
জামিন পাওয়ার পর নোবেল সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে মামলার প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল আজ প্রতারণা মামলায় জামিন পেয়েছেন। ঢাকার একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন, যা তার গ্রেপ্তারের পর কার্যকর হয়েছে।
আদালতের শুনানিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ নোবেলের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত জানিয়েছে, জামিন আপোসের ভিত্তিতে ১,০০০ টাকার মুচলেকায় মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান থাকবে এবং আদালতের শর্ত পূরণে নোবেল মুক্ত হয়েছেন।
মামলাটি করা হয়েছিল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নোবেল এক তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে সময় কাটানোর পর অর্থ গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি অভিযোগে বলা হয়েছে, নোবেল কিছু পরিস্থিতিতে হেনস্থা ও আপত্তিকর ছবি/ভিডিও করার চেষ্টা করেছিলেন।
পুলিশের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI) মামলাটি তদন্ত করে। নোবেলসহ তার পরিবারের কয়েকজনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে।
নোবেল আগেও একটি পৃথক ধর্ষণ ও হেনস্থা সংক্রান্ত মামলায় জড়িত ছিলেন এবং সেই মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আদালত জানায়, আপোসের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
জামিন পাওয়ার পর নোবেল সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে মামলার প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন