ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত ক্যাথল্যাব দীর্ঘ ১০ বছর ধরে অচল থাকায় হৃদরোগ রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এটি এনজিওগ্রাম ও অন্যান্য জরুরি হৃদরোগ পরীক্ষা-চিকিৎসার জন্য স্থাপন করা হয়েছিল।
হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় কার্যত অকেজো হয়ে গেছে। ফলে রোগীদের ঢাকাসহ বড় শহরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে রোগীদের সময় ও খরচ বাড়ছে এবং জরুরি ক্ষেত্রে জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছেন তারা। এক ভুক্তভোগী জানান, ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রায় দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে।
হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যন্ত্রটি সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান থাকা সত্ত্বেও কার্যকরভাবে সেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। মেশিনটি মেরামতের জন্য জাতীয় ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইক্যুপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপকে (NIMEMW) জানানো হলেও তারা সরাসরি মেরামত করতে পারছে না। ফিলিপস কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দ্রুত ক্যাথল্যাব চালু করার দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হার্ট রোগে সময়মতো আধুনিক চিকিৎসা না পাওয়া প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই এটি দ্রুত সচল করা অত্যন্ত জরুরি।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের দীর্ঘদিন অচল ক্যাথল্যাব রোগীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোগীরা আশা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নিলে স্থানীয় পর্যায়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত ক্যাথল্যাব দীর্ঘ ১০ বছর ধরে অচল থাকায় হৃদরোগ রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এটি এনজিওগ্রাম ও অন্যান্য জরুরি হৃদরোগ পরীক্ষা-চিকিৎসার জন্য স্থাপন করা হয়েছিল।
হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় কার্যত অকেজো হয়ে গেছে। ফলে রোগীদের ঢাকাসহ বড় শহরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে রোগীদের সময় ও খরচ বাড়ছে এবং জরুরি ক্ষেত্রে জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছেন তারা। এক ভুক্তভোগী জানান, ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রায় দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে।
হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যন্ত্রটি সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান থাকা সত্ত্বেও কার্যকরভাবে সেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। মেশিনটি মেরামতের জন্য জাতীয় ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইক্যুপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপকে (NIMEMW) জানানো হলেও তারা সরাসরি মেরামত করতে পারছে না। ফিলিপস কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দ্রুত ক্যাথল্যাব চালু করার দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হার্ট রোগে সময়মতো আধুনিক চিকিৎসা না পাওয়া প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই এটি দ্রুত সচল করা অত্যন্ত জরুরি।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের দীর্ঘদিন অচল ক্যাথল্যাব রোগীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোগীরা আশা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নিলে স্থানীয় পর্যায়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন