গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিলু মুন্সী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহত নিলু মুন্সী কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উভয় গ্রুপই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আনোয়ার মুন্সী গ্রুপ ও নূর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।
ঘটনার দিন প্রথমে আনোয়ার মুন্সীর ছেলেরা হাসপাতাল গেটে নূর ইসলামকে আক্রমণ করে। এতে নূর ইসলাম আহত হন। এর জেরে নূর ইসলামের লোকজন আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত নিলু মুন্সী (৫০), তার স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) ও দুলাল মুন্সী (৪০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর পক্ষের নূর ইসলাম (৩৩) মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্রাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিলু মুন্সী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহত নিলু মুন্সী কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উভয় গ্রুপই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আনোয়ার মুন্সী গ্রুপ ও নূর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।
ঘটনার দিন প্রথমে আনোয়ার মুন্সীর ছেলেরা হাসপাতাল গেটে নূর ইসলামকে আক্রমণ করে। এতে নূর ইসলাম আহত হন। এর জেরে নূর ইসলামের লোকজন আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত নিলু মুন্সী (৫০), তার স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) ও দুলাল মুন্সী (৪০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর পক্ষের নূর ইসলাম (৩৩) মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্রাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন