দেশের বিমান খাত ও বিমান পরিষেবা আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিমান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাত্রীসেবা এবং বিমান পরিচালনার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনা হবে।
বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জানিয়েছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালু করা হবে। নতুন টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন হবে এবং বিমানবন্দরের কার্যকরীতা বৃদ্ধি পাবে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত এটি সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের প্রতিটি পর্যায়ে যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রবাসী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং হজ ফ্লাইট পরিচালনার মান উন্নত করা হবে। পাশাপাশি, টিকিট সিন্ডিকেট ও অন্যান্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নতুন মন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের সময় জানিয়েছেন, বিমান খাতের প্রতিটি স্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। লাগেজ হ্যান্ডলিং, টিকিট ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য পরিষেবায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের বিমান খাতকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে খাপ খাওয়ানো এবং যাত্রীসেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করা।
সরকারের এ উদ্যোগে দেশের বিমানখাত ও বিমানবন্দরের সেবার মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বিমান খাত ও বিমান পরিষেবা আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিমান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাত্রীসেবা এবং বিমান পরিচালনার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনা হবে।
বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জানিয়েছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালু করা হবে। নতুন টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন হবে এবং বিমানবন্দরের কার্যকরীতা বৃদ্ধি পাবে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত এটি সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের প্রতিটি পর্যায়ে যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রবাসী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং হজ ফ্লাইট পরিচালনার মান উন্নত করা হবে। পাশাপাশি, টিকিট সিন্ডিকেট ও অন্যান্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নতুন মন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের সময় জানিয়েছেন, বিমান খাতের প্রতিটি স্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। লাগেজ হ্যান্ডলিং, টিকিট ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য পরিষেবায় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের বিমান খাতকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে খাপ খাওয়ানো এবং যাত্রীসেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করা।
সরকারের এ উদ্যোগে দেশের বিমানখাত ও বিমানবন্দরের সেবার মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন