ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

‘চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

মানিকগঞ্জে চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহাল নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে সরকার। নদী তীরবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলন ও বাজারে চাঁদাবাজির কারণে স্থানীয়দের জীবনযাত্রা বিপন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটক মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জেলা প্রশাসক ও পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, “নদী ও পরিবেশ রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজি করা হবে না। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব।” তিনি আরও বলেন, পদ্মা, যমুনা ও ধলেশ্বরি নদীর তীরবর্তী এলাকায় আইন লঙ্ঘনকারীদের কোনো ছাড় থাকবে না।

দেশব্যাপী পুলিশ প্রশাসনও চাঁদাবাজি ও অপরাধ প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আইজিপি বাহারুল আলম জানিয়েছেন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “অপরাধীরা রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, শাস্তি এড়িয়ে যাবে না।”

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালও চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি অবলম্বনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের এলাকায় অপরাধীরা যেন শাস্তি এড়িয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।”

দেশের বিভিন্ন এলাকায় পূর্বেও অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালুমহালের কারণে নদী ভাঙন, জমি অধিগ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও খাগড়াছড়িতে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ও বালু জব্দ করেছে এবং অপরাধীদের জরিমানা করেছে।

সরকারের এই পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, নদী ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহাল বন্ধ হবে। প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


‘চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জে চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহাল নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে সরকার। নদী তীরবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলন ও বাজারে চাঁদাবাজির কারণে স্থানীয়দের জীবনযাত্রা বিপন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটক মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা জেলা প্রশাসক ও পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, “নদী ও পরিবেশ রক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজি করা হবে না। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব।” তিনি আরও বলেন, পদ্মা, যমুনা ও ধলেশ্বরি নদীর তীরবর্তী এলাকায় আইন লঙ্ঘনকারীদের কোনো ছাড় থাকবে না।

দেশব্যাপী পুলিশ প্রশাসনও চাঁদাবাজি ও অপরাধ প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আইজিপি বাহারুল আলম জানিয়েছেন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “অপরাধীরা রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, শাস্তি এড়িয়ে যাবে না।”

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালও চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি অবলম্বনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের এলাকায় অপরাধীরা যেন শাস্তি এড়িয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।”

দেশের বিভিন্ন এলাকায় পূর্বেও অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালুমহালের কারণে নদী ভাঙন, জমি অধিগ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও খাগড়াছড়িতে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ও বালু জব্দ করেছে এবং অপরাধীদের জরিমানা করেছে।

সরকারের এই পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, নদী ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালুমহাল বন্ধ হবে। প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ