নোয়াখালীর গার্মেন্টসকর্মী আমজাদ হোসেন দিপু রোববার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি চিরকুটও পাওয়া গেছে, যেখানে তিনি জীবনের শেষ বার্তা লিখে গেছেন।
চিরকুটের একটিতে তিনি লিখেছেন, “বিপদে কেউ দায়ী নয়… বিদায়টা দরকার ছিল শান্তির জন্য। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এই দুনিয়াটা একটা মরিচিকা।” আরেকটিতে লেখা ছিল, “কি পেলাম এই জীবনে। না আছে পরকালের জন্য, না আছে দুনিয়াবি কাজ। ভালো থাকুক দুনিয়ার মানুষ।”
দিপুর বন্ধুদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি সম্প্রতি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়ের মাত্র দশ দিনের মধ্যে এই ট্র্যাজেডি ঘটে। তার স্ত্রী বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন এবং পরিবার শোকাহত।
স্থানীয় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃতি নিশ্চিত করতে কাজ চালাচ্ছে।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তরুণদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ ও হতাশা কখনও কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি ডেকে আনতে পারে। পরিবার, বন্ধু ও সমাজের সহায়তা এই ধরনের ঘটনায় প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালীর গার্মেন্টসকর্মী আমজাদ হোসেন দিপু রোববার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি চিরকুটও পাওয়া গেছে, যেখানে তিনি জীবনের শেষ বার্তা লিখে গেছেন।
চিরকুটের একটিতে তিনি লিখেছেন, “বিপদে কেউ দায়ী নয়… বিদায়টা দরকার ছিল শান্তির জন্য। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এই দুনিয়াটা একটা মরিচিকা।” আরেকটিতে লেখা ছিল, “কি পেলাম এই জীবনে। না আছে পরকালের জন্য, না আছে দুনিয়াবি কাজ। ভালো থাকুক দুনিয়ার মানুষ।”
দিপুর বন্ধুদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি সম্প্রতি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়ের মাত্র দশ দিনের মধ্যে এই ট্র্যাজেডি ঘটে। তার স্ত্রী বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন এবং পরিবার শোকাহত।
স্থানীয় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃতি নিশ্চিত করতে কাজ চালাচ্ছে।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তরুণদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ ও হতাশা কখনও কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি ডেকে আনতে পারে। পরিবার, বন্ধু ও সমাজের সহায়তা এই ধরনের ঘটনায় প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন