রাজবাড়ী সদর উপজেলায় গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। নিহত যুবকের নাম জাহিদ হাসান ফকির (২৭)। স্থানীয়রা জানায়, তিনি সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন এবং স্যানিটারি পণ্য ব্যবসা করতেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জাহিদকে পূর্ব বিরোধ এবং পাওনা টাকা আদায়ের কারণে হত্যার শিকার করা হয়। ঘটনা ঘটার সময় জাহিদ স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের বাবা মামুন ফকির বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB)-১০ এর অভিযানকালে প্রধান আসামি রাতুল (২৮) ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আরও একজন আসামি শিখন (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছেন, ঘটনার পেছনে মূল কারণ ছিল পাওনা টাকা এবং পূর্ব বিরোধ। স্থানীয়রা এই হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী remaining আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং মামলার সুষ্ঠু বিচারের জন্য তদন্ত অব্যাহত আছে।
এতে স্থানীয় জনমনে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জনগণকে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। নিহত যুবকের নাম জাহিদ হাসান ফকির (২৭)। স্থানীয়রা জানায়, তিনি সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন এবং স্যানিটারি পণ্য ব্যবসা করতেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জাহিদকে পূর্ব বিরোধ এবং পাওনা টাকা আদায়ের কারণে হত্যার শিকার করা হয়। ঘটনা ঘটার সময় জাহিদ স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের বাবা মামুন ফকির বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB)-১০ এর অভিযানকালে প্রধান আসামি রাতুল (২৮) ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আরও একজন আসামি শিখন (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছেন, ঘটনার পেছনে মূল কারণ ছিল পাওনা টাকা এবং পূর্ব বিরোধ। স্থানীয়রা এই হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী remaining আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং মামলার সুষ্ঠু বিচারের জন্য তদন্ত অব্যাহত আছে।
এতে স্থানীয় জনমনে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জনগণকে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন