বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন; দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করায় নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন তার বার্তায় বলেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন। আমাদের দুই দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত।”
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই অভিনন্দন বার্তাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা নতুন মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই উষ্ণ বার্তা দিলেন ক্রিস্টেনসেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই শুভেচ্ছাবার্তা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সেতুবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন; দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করায় নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন তার বার্তায় বলেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন। আমাদের দুই দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত।”
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই অভিনন্দন বার্তাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা নতুন মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই উষ্ণ বার্তা দিলেন ক্রিস্টেনসেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই শুভেচ্ছাবার্তা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সেতুবন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

আপনার মতামত লিখুন