ফরিদপুর শহরতলীর গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা এলাকায় জামায়াত কর্মীদের বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাখুন্ডা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে এক শিশুসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আজিজুল নামের এক ব্যক্তিকে গুরুতর অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা হলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন ও কর্মী সজিবের শিশু সন্তান। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, হামলার সময় জানালার কাঁচ ভেঙে ঘুমন্ত শিশুর গায়ের ওপর পড়লে সে জখম হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) জেলা জামায়াতের নেতারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কর্মীদের দেখতে যান এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব টেলিফোনে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং সহিংসতা বন্ধে বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেনের অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল লোক এই হামলা চালিয়েছে। তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও মারধর করে। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রাসেদ খান মিলন দাবি করেছেন, তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন; বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার দাবি, তুচ্ছ ঘটনায় জামায়াত কর্মীদের আক্রমণে জুয়েল নামের একজন আহত হওয়ার পর এই গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বদরউদ্দিন, সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুল ওহাবসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি; অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামায়াত পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর শহরতলীর গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা এলাকায় জামায়াত কর্মীদের বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাখুন্ডা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে এক শিশুসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আজিজুল নামের এক ব্যক্তিকে গুরুতর অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা হলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন ও কর্মী সজিবের শিশু সন্তান। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, হামলার সময় জানালার কাঁচ ভেঙে ঘুমন্ত শিশুর গায়ের ওপর পড়লে সে জখম হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) জেলা জামায়াতের নেতারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কর্মীদের দেখতে যান এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব টেলিফোনে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং সহিংসতা বন্ধে বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেনের অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন মেম্বারের নেতৃত্বে একদল লোক এই হামলা চালিয়েছে। তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও মারধর করে। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রাসেদ খান মিলন দাবি করেছেন, তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন; বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার দাবি, তুচ্ছ ঘটনায় জামায়াত কর্মীদের আক্রমণে জুয়েল নামের একজন আহত হওয়ার পর এই গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বদরউদ্দিন, সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুল ওহাবসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি; অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামায়াত পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন