ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রাম এক করে দেখা ঠিক হবে না’


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রাম এক করে দেখা ঠিক হবে না’

সরকার স্পষ্ট করেছে যে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে অন্যান্য আন্দোলন বা সংগ্রামের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক হবে না। এই বিষয়ে বক্তব্য দেন মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি এবং এটি অন্য কোনো আন্দোলনের সঙ্গে সমতুল্য নয়।

মন্ত্রী আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই কারণে তরুণ প্রজন্ম প্রামাণ্য ইতিহাস জানে না। “অনেকেই জানে না যে মুক্তিযোদ্ধারা অসীম ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন,” তিনি বলেন। সভায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং ইতিহাস সংরক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

সরকারের মতে, যদিও ভাষা আন্দোলন বা অন্যান্য সামাজিক-রাজনৈতিক সংগ্রাম স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাথমিক বীজ বপনের মতো ভূমিকা রেখেছে, তবু এগুলো মুক্তিযুদ্ধের মূল সশস্ত্র সংগ্রামের সমান বিচারযোগ্য নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধকে অন্যান্য আন্দোলনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা ইতিহাসের অপব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়ায় এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে একক এবং স্বতন্ত্র ঘটনা। সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা রক্ষা করা এবং প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রাম এক করে দেখা ঠিক হবে না’

প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

সরকার স্পষ্ট করেছে যে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে অন্যান্য আন্দোলন বা সংগ্রামের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক হবে না। এই বিষয়ে বক্তব্য দেন মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি এবং এটি অন্য কোনো আন্দোলনের সঙ্গে সমতুল্য নয়।

মন্ত্রী আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই কারণে তরুণ প্রজন্ম প্রামাণ্য ইতিহাস জানে না। “অনেকেই জানে না যে মুক্তিযোদ্ধারা অসীম ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন,” তিনি বলেন। সভায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং ইতিহাস সংরক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

সরকারের মতে, যদিও ভাষা আন্দোলন বা অন্যান্য সামাজিক-রাজনৈতিক সংগ্রাম স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাথমিক বীজ বপনের মতো ভূমিকা রেখেছে, তবু এগুলো মুক্তিযুদ্ধের মূল সশস্ত্র সংগ্রামের সমান বিচারযোগ্য নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধকে অন্যান্য আন্দোলনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা ইতিহাসের অপব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়ায় এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে একক এবং স্বতন্ত্র ঘটনা। সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা রক্ষা করা এবং প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ