বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় রোববার সকালে দুর্বৃত্তদের মারাত্মক হামলায় এক যুবকের দুই হাতের কবজি (wrist) বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঘটনাটি সম্মানকাঠি গ্রামের একটি কলাবাগানে ঘটে, যেখানে স্থানীয় যুবক মো. রহমত শেখ (২৮) অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত হন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, রহমত শেখ এবং অপর পক্ষের মধ্যে পূর্বে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল যা নিয়ে কথা কাটাকাটি চলে। রোববার সকালে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং এর পরপরই অভিযুক্তরা তাঁকে কলাবাগানে তুলে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার ঘটনা ঘটায়। এতে তার দু’হাতের কবজি ছিন্ন হয়ে যায় এবং সে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে।
স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাকে প্রথমে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনা করে ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন গুরুতর আঘাতের পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগীর জীবনহানি বা স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি ছিল।
কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় জড়িতদের ধরতে তৎপর অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উপ-পরিদর্শক ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি একটি পূর্ব পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে উত্তেজনার রূপ নেয়ার ফল। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে অনুসন্ধান চালাচ্ছি এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনবো।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এই হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, গ্রামীণ এলাকায় এমন বর্বর আচরণ আগে খুব কমই দেখা গেছে এবং এটি সমাজে নিরাপত্তার উন্নতির প্রয়োজনীয়তা পুনরায় সামনে এনেছে।
এ ঘটনাটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সম্প্রতি ঘটেছে এমন সমাজে অপরাধের ধরণ এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ আরও জাগিয়ে দিয়েছে। পুলিশ বলেছে এই ঘটনায় সম্পূর্ণ তদন্ত সম্পন্ন করা হবে এবং দোষীদের লক্ষ্য করে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় রোববার সকালে দুর্বৃত্তদের মারাত্মক হামলায় এক যুবকের দুই হাতের কবজি (wrist) বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঘটনাটি সম্মানকাঠি গ্রামের একটি কলাবাগানে ঘটে, যেখানে স্থানীয় যুবক মো. রহমত শেখ (২৮) অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত হন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, রহমত শেখ এবং অপর পক্ষের মধ্যে পূর্বে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল যা নিয়ে কথা কাটাকাটি চলে। রোববার সকালে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং এর পরপরই অভিযুক্তরা তাঁকে কলাবাগানে তুলে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার ঘটনা ঘটায়। এতে তার দু’হাতের কবজি ছিন্ন হয়ে যায় এবং সে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকে।
স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাকে প্রথমে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনা করে ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন গুরুতর আঘাতের পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগীর জীবনহানি বা স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি ছিল।
কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় জড়িতদের ধরতে তৎপর অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উপ-পরিদর্শক ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি একটি পূর্ব পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে উত্তেজনার রূপ নেয়ার ফল। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে অনুসন্ধান চালাচ্ছি এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনবো।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এই হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, গ্রামীণ এলাকায় এমন বর্বর আচরণ আগে খুব কমই দেখা গেছে এবং এটি সমাজে নিরাপত্তার উন্নতির প্রয়োজনীয়তা পুনরায় সামনে এনেছে।
এ ঘটনাটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সম্প্রতি ঘটেছে এমন সমাজে অপরাধের ধরণ এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ আরও জাগিয়ে দিয়েছে। পুলিশ বলেছে এই ঘটনায় সম্পূর্ণ তদন্ত সম্পন্ন করা হবে এবং দোষীদের লক্ষ্য করে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেবে।

আপনার মতামত লিখুন