চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় শনিবার সন্ধ্যায় এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ছাত্রীর নাম জয়িতা ইবনাত চৌধুরী, বয়স ১৯ বছর। তিনি সাতকানিয়া সরকারি কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকেল নাগাদ জয়িতাকে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সাতকানিয়া থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রীর ঘর থেকে একাধিক চিঠি পাওয়া গেছে। চিঠিগুলোতে জয়িতা তার মানসিক কষ্ট, পারিবারিক কলহ এবং সৎমায়ের সঙ্গে খারাপ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন যে তার উপর প্রায়ই মারধর ও অপমান করা হতো।
নিহতের বাবা আবু বোরহান মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও মা জন্নাতুল ফেরদৌসী জানিয়েছেন, তাদের ২০১৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে জয়িতা মূলত মায়ের সঙ্গে থাকতেন। ২০২৫ সালে বাবা আবার তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন, যেখানে তার সৎমা ও সৎবোনের সঙ্গে থাকতে হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা, তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও চিঠির বিশ্লেষণ পুলিশ পর্যায়ে চলছে।
পরিবার এবং স্থানীয়রা শোক প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনার তদন্তে সকল প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় শনিবার সন্ধ্যায় এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ছাত্রীর নাম জয়িতা ইবনাত চৌধুরী, বয়স ১৯ বছর। তিনি সাতকানিয়া সরকারি কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকেল নাগাদ জয়িতাকে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সাতকানিয়া থানায় নিয়ে আসে এবং ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রীর ঘর থেকে একাধিক চিঠি পাওয়া গেছে। চিঠিগুলোতে জয়িতা তার মানসিক কষ্ট, পারিবারিক কলহ এবং সৎমায়ের সঙ্গে খারাপ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন যে তার উপর প্রায়ই মারধর ও অপমান করা হতো।
নিহতের বাবা আবু বোরহান মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও মা জন্নাতুল ফেরদৌসী জানিয়েছেন, তাদের ২০১৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে জয়িতা মূলত মায়ের সঙ্গে থাকতেন। ২০২৫ সালে বাবা আবার তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন, যেখানে তার সৎমা ও সৎবোনের সঙ্গে থাকতে হয়।
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা, তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও চিঠির বিশ্লেষণ পুলিশ পর্যায়ে চলছে।
পরিবার এবং স্থানীয়রা শোক প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনার তদন্তে সকল প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন