ফেনীর দাগনভূঞা মডেল থানার এক পুকুর থেকে রোববার সকালে পুলিশ ২১৯ পিস গুলি উদ্ধার করেছে। এই ব্যাপক অভিযানটি পুলিশের এক অভ্যন্তরীণ সূত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহ করা হয়েছিল যে ওই পুকুরে কিছু অস্ত্র বা গোলাবারুদ রাখা রয়েছে। সেই অনুসন্ধানে দাগনভূঞা থানার পুলিশ পুকুরে তল্লাশি চালালে অক্ষত অবস্থায় ২১৯টি শর্টগান গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গুলির মধ্যে বেশিরভাগের পৃষ্ঠে “Bangladesh Police” লেখা ছিল, যা পরিদর্শনকারীদের নজরে পড়ে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “একটি নির্দিষ্ট সূত্র থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা পুকুরে অভিযান চালাই। এই গুলিগুলো অনেক দিন ধরে পুকুরে ছিল বলে মনে হচ্ছে। এই মুহূর্তে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে দরকারী প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।”
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গুলি অবৈধভাবে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছিল কি না বা তা কোন সংঘবদ্ধ চক্রের অংশ ছিল তা জানার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও তদন্ত চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জনগণের সহায়তা কামনা করেছে। যেকোনো অবৈধ অস্ত্র বা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গুলি সম্পর্কে তথ্য থাকলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে যে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সম্প্রতি বিভিন্ন থানাসহ নগর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলির বড় বড় চালানও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের অভিযান অপরাধ দমনে সহায়তা করে এবং অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতা হ্রাসে ভূমিকা রাখে বলে দেখা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেনীর দাগনভূঞা মডেল থানার এক পুকুর থেকে রোববার সকালে পুলিশ ২১৯ পিস গুলি উদ্ধার করেছে। এই ব্যাপক অভিযানটি পুলিশের এক অভ্যন্তরীণ সূত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহ করা হয়েছিল যে ওই পুকুরে কিছু অস্ত্র বা গোলাবারুদ রাখা রয়েছে। সেই অনুসন্ধানে দাগনভূঞা থানার পুলিশ পুকুরে তল্লাশি চালালে অক্ষত অবস্থায় ২১৯টি শর্টগান গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গুলির মধ্যে বেশিরভাগের পৃষ্ঠে “Bangladesh Police” লেখা ছিল, যা পরিদর্শনকারীদের নজরে পড়ে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “একটি নির্দিষ্ট সূত্র থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা পুকুরে অভিযান চালাই। এই গুলিগুলো অনেক দিন ধরে পুকুরে ছিল বলে মনে হচ্ছে। এই মুহূর্তে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে দরকারী প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।”
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গুলি অবৈধভাবে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছিল কি না বা তা কোন সংঘবদ্ধ চক্রের অংশ ছিল তা জানার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও তদন্ত চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জনগণের সহায়তা কামনা করেছে। যেকোনো অবৈধ অস্ত্র বা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গুলি সম্পর্কে তথ্য থাকলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে যে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সম্প্রতি বিভিন্ন থানাসহ নগর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলির বড় বড় চালানও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের অভিযান অপরাধ দমনে সহায়তা করে এবং অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতা হ্রাসে ভূমিকা রাখে বলে দেখা হয়।

আপনার মতামত লিখুন