ক্ষমতাসীন দল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করে স্বাক্ষর দিলেও ক্ষমতায় এসে তা উপেক্ষা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ টি এম আজহার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই গণভোটে সাধারণ মানুষ 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করেছে। কিন্তু সরকারি দল ক্ষমতায় এসেই যেভাবে জুলাই সনদকে অবজ্ঞা করছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। সংসদ শুরু হলে এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন না হলে আজকে স্বাধীনভাবে কেউ কথা বলতে পারত না, এমপি হওয়া তো দূরের কথা। তাই জুলাইকে অস্বীকার করা মানে এই নির্বাচনকেই অস্বীকার করা। জুলাইযোদ্ধাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা সবার দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ টি এম আজহার বলেন, রংপুর-২ আসনে এত বড় ভোটের ব্যবধানে ইতিপূর্বে আর কেউ নির্বাচিত হননি। যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—তিনি সবার সমান প্রতিনিধি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক দৃষ্টিতে দেখে প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৪ বছর কারাভোগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এমপি নির্বাচিত হওয়ায় কাজের পরিধি আরও বেড়েছে। সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতাসীন দল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করে স্বাক্ষর দিলেও ক্ষমতায় এসে তা উপেক্ষা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ টি এম আজহার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই গণভোটে সাধারণ মানুষ 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করেছে। কিন্তু সরকারি দল ক্ষমতায় এসেই যেভাবে জুলাই সনদকে অবজ্ঞা করছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। সংসদ শুরু হলে এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন না হলে আজকে স্বাধীনভাবে কেউ কথা বলতে পারত না, এমপি হওয়া তো দূরের কথা। তাই জুলাইকে অস্বীকার করা মানে এই নির্বাচনকেই অস্বীকার করা। জুলাইযোদ্ধাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা সবার দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ টি এম আজহার বলেন, রংপুর-২ আসনে এত বড় ভোটের ব্যবধানে ইতিপূর্বে আর কেউ নির্বাচিত হননি। যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—তিনি সবার সমান প্রতিনিধি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক দৃষ্টিতে দেখে প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৪ বছর কারাভোগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এমপি নির্বাচিত হওয়ায় কাজের পরিধি আরও বেড়েছে। সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন