রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণসহ শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা। সভায় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক সহনশীলতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। সমাজে বিভেদ সৃষ্টিকারী যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা’র মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সারা দেশে ক্রীড়া অবকাঠামো ও উন্নত প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের বিষয়েও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে আধুনিকায়নের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল।
সভায় উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সভাটি সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নতুন কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণসহ শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা। সভায় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক সহনশীলতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। সমাজে বিভেদ সৃষ্টিকারী যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা’র মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সারা দেশে ক্রীড়া অবকাঠামো ও উন্নত প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের বিষয়েও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে আধুনিকায়নের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলাই এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল।
সভায় উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সভাটি সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নতুন কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন