যশোরের অভয়নগর উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় এক জুটমিল মালিকের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত প্রায় দুইটার দিকে নওয়াপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বাড়ির আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সময় বাড়ির ভিতরে কেউ ছিলেন না, তাই বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় ভয়ে ও চাপ দেখাতে এই ধরনের ককটেল হামলা চালানো হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভয়নগর থানার পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বোঝা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণের জন্য তদন্ত চলছে।
বিস্ফোরণে কারও আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কতা অবলম্বন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতে ব্যবসায়ীদের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় এক জুটমিল মালিকের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত প্রায় দুইটার দিকে নওয়াপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বাড়ির আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সময় বাড়ির ভিতরে কেউ ছিলেন না, তাই বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় ভয়ে ও চাপ দেখাতে এই ধরনের ককটেল হামলা চালানো হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভয়নগর থানার পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বোঝা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণের জন্য তদন্ত চলছে।
বিস্ফোরণে কারও আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কতা অবলম্বন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতে ব্যবসায়ীদের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন