মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন কক্সবাজারে টানা চার দিনের বিশেষ অভিযানে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এসব অভিযানে মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ সময় একজন নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিজিবি, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে উখিয়া, টেকনাফ ও নাফ নদীর উপকূলীয় এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল ও হঠাৎ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। পৃথক আরেকটি অভিযানে বিজিবি আরও ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, কক্সবাজার সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচারের বড় রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সম্প্রতি সীমান্তজুড়ে নজরদারি ও প্রযুক্তি-নির্ভর পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর ফলে ইয়াবা কারবারিদের একাধিক চালান আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে এবং জব্দ মাদকদ্রব্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি কক্সবাজার আদালত ইয়াবা ও আইস রাখার অপরাধে দুই মাদককারবারিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এই কঠোরতা মাদকচক্রের তৎপরতা দমন ও সীমান্তে পাচার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
চার দিনে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে সীমান্তজুড়ে সক্রিয় মাদকচক্র দুর্বল হবে এবং দেশের ভেতরে ইয়াবার প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন কক্সবাজারে টানা চার দিনের বিশেষ অভিযানে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এসব অভিযানে মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ সময় একজন নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিজিবি, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে উখিয়া, টেকনাফ ও নাফ নদীর উপকূলীয় এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল ও হঠাৎ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। পৃথক আরেকটি অভিযানে বিজিবি আরও ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, কক্সবাজার সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচারের বড় রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সম্প্রতি সীমান্তজুড়ে নজরদারি ও প্রযুক্তি-নির্ভর পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর ফলে ইয়াবা কারবারিদের একাধিক চালান আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে এবং জব্দ মাদকদ্রব্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি কক্সবাজার আদালত ইয়াবা ও আইস রাখার অপরাধে দুই মাদককারবারিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এই কঠোরতা মাদকচক্রের তৎপরতা দমন ও সীমান্তে পাচার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
চার দিনে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে সীমান্তজুড়ে সক্রিয় মাদকচক্র দুর্বল হবে এবং দেশের ভেতরে ইয়াবার প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন