কক্সবাজারের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের প্রস্তুতিকালে নারী ও শিশুসহ ৫৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম উল হক এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ও শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃত পাচারকারীরা হলেন বাহারছড়ার নোয়াখালী পাড়ার নবী হোসেন (২৭), মহেশখালীর মো. রায়হান (২০), বাহারছড়ার মাহফুজ উল্লাহ (১৮), এবং উখিয়ার কুতুপালং ১ নম্বর ক্যাম্পের শফিক আলম (২২) ও লাল মিয়া।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে একদল অসাধু চক্র বিপুল সংখ্যক মানুষকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে বাহারছড়া, শাহপরী ও টেকনাফ স্টেশনের সদস্যরা একটি বিশেষ টিম গঠন করে সাগরে অবস্থান নেন। অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন নৌকাকে থামার সংকেত দিলে সেটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে কচ্ছপিয়া সংলগ্ন এলাকা থেকে নৌকাটি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত ৫৫ জনের মধ্যে ৩ জন নারী, ৩৯ জন পুরুষ এবং ১৩ জন শিশু রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক। পাচারকারী চক্র তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্বল্প ব্যয়ে বিদেশে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সমুদ্রপথে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্ররোচিত করেছিল।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম উল হক জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। আটককৃত পাচারকারী এবং উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সমুদ্রপথে এমন অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা রুখতে ভবিষ্যতে তাদের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের প্রস্তুতিকালে নারী ও শিশুসহ ৫৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম উল হক এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ও শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃত পাচারকারীরা হলেন বাহারছড়ার নোয়াখালী পাড়ার নবী হোসেন (২৭), মহেশখালীর মো. রায়হান (২০), বাহারছড়ার মাহফুজ উল্লাহ (১৮), এবং উখিয়ার কুতুপালং ১ নম্বর ক্যাম্পের শফিক আলম (২২) ও লাল মিয়া।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে একদল অসাধু চক্র বিপুল সংখ্যক মানুষকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে বাহারছড়া, শাহপরী ও টেকনাফ স্টেশনের সদস্যরা একটি বিশেষ টিম গঠন করে সাগরে অবস্থান নেন। অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন নৌকাকে থামার সংকেত দিলে সেটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে কচ্ছপিয়া সংলগ্ন এলাকা থেকে নৌকাটি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত ৫৫ জনের মধ্যে ৩ জন নারী, ৩৯ জন পুরুষ এবং ১৩ জন শিশু রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক। পাচারকারী চক্র তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্বল্প ব্যয়ে বিদেশে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সমুদ্রপথে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্ররোচিত করেছিল।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম উল হক জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। আটককৃত পাচারকারী এবং উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সমুদ্রপথে এমন অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা রুখতে ভবিষ্যতে তাদের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন