ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

স্পিকার হতে পারেন ড. মঈন খান


নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

স্পিকার হতে পারেন ড. মঈন খান
ড. আবদুল মঈন খান

বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর সভাপতিত্বে। এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকে স্পিকার পদে নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী স্থান পেয়েছেন। তবে দলের প্রবীণ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনও কোনো দায়িত্ব পাননি। এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ নিয়ে কৌতূহল বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রবীণ নেতা মঈন খান এখনও সরকারের বাইরে আছেন।

ড. মঈন খানের ঘনিষ্ঠজনরা মনে করছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাকে সংসদের সম্মানজনক স্থানে রাখা হবে। তবে তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, এ বিষয়ে তারা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানেন না। ড. মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার বাবা সাবেক এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসেবে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা রাখেন।

সাংবিধানিকভাবে শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন। যদিও বিদায়ী স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচন করার বিধান থাকলেও এবার তা প্রযোজ্য হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


স্পিকার হতে পারেন ড. মঈন খান

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নতুন স্পিকার নির্বাচন হবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর সভাপতিত্বে। এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকে স্পিকার পদে নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।


ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী স্থান পেয়েছেন। তবে দলের প্রবীণ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনও কোনো দায়িত্ব পাননি। এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ নিয়ে কৌতূহল বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রবীণ নেতা মঈন খান এখনও সরকারের বাইরে আছেন।


ড. মঈন খানের ঘনিষ্ঠজনরা মনে করছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাকে সংসদের সম্মানজনক স্থানে রাখা হবে। তবে তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, এ বিষয়ে তারা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানেন না। ড. মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার বাবা সাবেক এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসেবে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা রাখেন।


সাংবিধানিকভাবে শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন। যদিও বিদায়ী স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচন করার বিধান থাকলেও এবার তা প্রযোজ্য হচ্ছে না।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ