সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১৪ মার্চের মধ্যেই সংসদ ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করায় এখন সবার দৃষ্টি প্রথম অধিবেশনের দিকে।
এবারের সংসদের প্রথম অধিবেশনটি বেশ কিছু কারণে ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং নতুন স্পিকার নির্বাচন পরিচালনা করেন। কিন্তু দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকায় প্রথম দিনের সভাপতিত্ব কে করবেন, তা নিয়ে আইনি ও পদ্ধতিগত প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী কোনো জ্যেষ্ঠ সদস্যকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দিয়ে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হতে পারে।
রাজনৈতিক সমীকরণেও এবার নতুনত্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন বিএনপি জোটের সংসদীয় দল ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেছে। অন্যদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ ও নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এবার ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিরোধী দল থেকে মনোনীত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন, যা পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর শোক প্রস্তাব গ্রহণ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়েই শুরু হবে নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক পথচলা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের গেজেট প্রকাশিত হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১৪ মার্চের মধ্যেই সংসদ ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করায় এখন সবার দৃষ্টি প্রথম অধিবেশনের দিকে।
এবারের সংসদের প্রথম অধিবেশনটি বেশ কিছু কারণে ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং নতুন স্পিকার নির্বাচন পরিচালনা করেন। কিন্তু দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকায় প্রথম দিনের সভাপতিত্ব কে করবেন, তা নিয়ে আইনি ও পদ্ধতিগত প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী কোনো জ্যেষ্ঠ সদস্যকে অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দিয়ে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হতে পারে।
রাজনৈতিক সমীকরণেও এবার নতুনত্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন বিএনপি জোটের সংসদীয় দল ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেছে। অন্যদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ ও নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এবার ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিরোধী দল থেকে মনোনীত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন, যা পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর শোক প্রস্তাব গ্রহণ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়েই শুরু হবে নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক পথচলা।

আপনার মতামত লিখুন