সড়কে চাঁদা আদায় ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পরিবহন খাতে কোনো সংগঠন বা পক্ষ যদি “সমঝোতার ভিত্তিতে” অর্থ গ্রহণ করে, তবে সেটিকে চাঁদা বলা যাবে না। তার মতে, শুধু জোরপূর্বক বা ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করা অর্থই চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য হবে।
মন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে। বিশেষ করে বিএনপির সাবেক নেত্রী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. তাসনিম জারা মন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, সড়কে যে টাকা আদায় হয়, তা বাস্তবে কখনোই স্বেচ্ছায় বা সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া হয় না। পরিবহন শ্রমিক, মালিক এবং স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর চাপেই অধিকাংশ সময় চালক ও মালিকদের টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।
তাসনিম জারা বলেন, সমঝোতার নামে এই অর্থ আদায়কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করলে তা অনিয়ম ও চাঁদাবাজিকে আরও উৎসাহিত করবে। তিনি মনে করেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে আদায় করা এসব টাকার কারণে পরিবহন ভাড়া বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীসহ বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে। তার মতে, যদি কোনো সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের প্রয়োজন থাকে, তবে সেটি রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বচ্ছ নিয়মে সংগ্রহ করা উচিত, যাতে জবাবদিহি থাকে এবং দুর্নীতির সুযোগ না থাকে।
এদিকে, পরিবহন খাতের বিভিন্ন অংশীদারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সড়কে নানা নামে অর্থ আদায়ের প্রচলন রয়েছে। মন্ত্রীর বক্তব্য সেই অনিয়মকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, সড়কে চলমান চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে আরও কঠোর ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ চাঁদা আদায় বন্ধে সরকার সচেতন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে মন্ত্রীর “সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়” মন্তব্যটি সড়কে চাঁদা আদায়ের চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সড়কে চাঁদা আদায় ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পরিবহন খাতে কোনো সংগঠন বা পক্ষ যদি “সমঝোতার ভিত্তিতে” অর্থ গ্রহণ করে, তবে সেটিকে চাঁদা বলা যাবে না। তার মতে, শুধু জোরপূর্বক বা ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করা অর্থই চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য হবে।
মন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে। বিশেষ করে বিএনপির সাবেক নেত্রী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. তাসনিম জারা মন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, সড়কে যে টাকা আদায় হয়, তা বাস্তবে কখনোই স্বেচ্ছায় বা সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া হয় না। পরিবহন শ্রমিক, মালিক এবং স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর চাপেই অধিকাংশ সময় চালক ও মালিকদের টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।
তাসনিম জারা বলেন, সমঝোতার নামে এই অর্থ আদায়কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করলে তা অনিয়ম ও চাঁদাবাজিকে আরও উৎসাহিত করবে। তিনি মনে করেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে আদায় করা এসব টাকার কারণে পরিবহন ভাড়া বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীসহ বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে। তার মতে, যদি কোনো সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের প্রয়োজন থাকে, তবে সেটি রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বচ্ছ নিয়মে সংগ্রহ করা উচিত, যাতে জবাবদিহি থাকে এবং দুর্নীতির সুযোগ না থাকে।
এদিকে, পরিবহন খাতের বিভিন্ন অংশীদারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সড়কে নানা নামে অর্থ আদায়ের প্রচলন রয়েছে। মন্ত্রীর বক্তব্য সেই অনিয়মকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন। তাদের মতে, সড়কে চলমান চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে আরও কঠোর ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ চাঁদা আদায় বন্ধে সরকার সচেতন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে মন্ত্রীর “সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়” মন্তব্যটি সড়কে চাঁদা আদায়ের চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন