বছর ঘুরে আবারও শুরু হয়েছে মাহে রমজান। পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন মোড়ে জমে উঠেছে ইফতার বাজার। দুপুর থেকেই শহরের কোর্ট মোড়, বড় বাজার ও রেল বাজারের ছোট ছোট ইফতার দোকানসহ হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে দোকানিরা ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেন। বেলা যত গড়িয়েছে, ততই জমজমাট হতে শুরু করে ইফতার বাজার। এসব দোকানে ইফতার কিনতে বিভিন্ন এলাকার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইফতারের দাম কিছুটা বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার গলিপথেও ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন মৌসুমি দোকানিরা। এসব দোকানে আলুর চপ, পেঁয়াজু, বেগুনি, ছোলা-ঘুঘনি, চিকেন টিকিয়া, বিফ টিকিয়া, বুন্দিয়া, জিলাপি ও নিমকিসহ নানা ধরনের খাবার সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বাহারি এসব ইফতারির স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ভোজনরসিকরা ছুটে আসছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রথম তারাবি ও সেহরির পর বৃহস্পতিবার বিকেলের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায় ইফতার। নানান ব্যস্ততা উপেক্ষা করে বিকেল হলেই মানুষ ভিড় করছেন ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকানগুলোতে।
ইফতার কিনতে আসা রিয়াদ নামের এক যুবক বলেন, “বাসায় ইফতার বানানো হলেও বাইরে থেকে ইফতার না নিলে মনে হয় কিছু একটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে এ বছর ইফতারের দাম বেশি থাকায় একটু কম কিনছি।”
শহরের মাস্টারপাড়ার নাজমুল হক পলাশ পরিবারের জন্য প্রথম রোজার ইফতারে বাহারি আইটেম যোগ করতে শহরের ভোজনকেন্দ্রে এসেছেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর প্রথম রোজায় এখানে আসি। এখানে নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী পাওয়া যায়।
মুক্তিপাড়া এলাকার ক্রেতা সবুজ আলী বলেন, “আজ রহমতের প্রথম দিন। এদিন পরিবার-পরিজন সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ইফতার করব।”
শহরতলীর দৌলতদিয়ার দক্ষিণপাড়ার কিরন মাহমুদ বলেন, বাজারে ইফতার সামগ্রির দাম গতবারের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। ইফতারে ভাজাপোড়ার সঙ্গে ফলমূল না হলে চলে না, অথচ সেই ফলের দামও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
শহরের শিমরান হোটেলের এক ইফতার বিক্রেতা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ইফতারি কিনতে আসছেন। এখন পর্যন্ত বিক্রি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে ভিড় আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রমজান শুরুর আগ পর্যন্ত প্রায় সব পণ্যের যে দাম ছিল, প্রথম দিনেই তার অনেকগুলোর দাম বেড়ে গেছে। ফলে অনেকটাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে স্বাদ ও সাধ্যের সমন্বয় করার চেষ্টা করছেন ক্রেতারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বছর ঘুরে আবারও শুরু হয়েছে মাহে রমজান। পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন মোড়ে জমে উঠেছে ইফতার বাজার। দুপুর থেকেই শহরের কোর্ট মোড়, বড় বাজার ও রেল বাজারের ছোট ছোট ইফতার দোকানসহ হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে দোকানিরা ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেন। বেলা যত গড়িয়েছে, ততই জমজমাট হতে শুরু করে ইফতার বাজার। এসব দোকানে ইফতার কিনতে বিভিন্ন এলাকার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইফতারের দাম কিছুটা বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার গলিপথেও ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন মৌসুমি দোকানিরা। এসব দোকানে আলুর চপ, পেঁয়াজু, বেগুনি, ছোলা-ঘুঘনি, চিকেন টিকিয়া, বিফ টিকিয়া, বুন্দিয়া, জিলাপি ও নিমকিসহ নানা ধরনের খাবার সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বাহারি এসব ইফতারির স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ভোজনরসিকরা ছুটে আসছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রথম তারাবি ও সেহরির পর বৃহস্পতিবার বিকেলের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায় ইফতার। নানান ব্যস্ততা উপেক্ষা করে বিকেল হলেই মানুষ ভিড় করছেন ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকানগুলোতে।
ইফতার কিনতে আসা রিয়াদ নামের এক যুবক বলেন, “বাসায় ইফতার বানানো হলেও বাইরে থেকে ইফতার না নিলে মনে হয় কিছু একটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে এ বছর ইফতারের দাম বেশি থাকায় একটু কম কিনছি।”
শহরের মাস্টারপাড়ার নাজমুল হক পলাশ পরিবারের জন্য প্রথম রোজার ইফতারে বাহারি আইটেম যোগ করতে শহরের ভোজনকেন্দ্রে এসেছেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর প্রথম রোজায় এখানে আসি। এখানে নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী পাওয়া যায়।
মুক্তিপাড়া এলাকার ক্রেতা সবুজ আলী বলেন, “আজ রহমতের প্রথম দিন। এদিন পরিবার-পরিজন সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ইফতার করব।”
শহরতলীর দৌলতদিয়ার দক্ষিণপাড়ার কিরন মাহমুদ বলেন, বাজারে ইফতার সামগ্রির দাম গতবারের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। ইফতারে ভাজাপোড়ার সঙ্গে ফলমূল না হলে চলে না, অথচ সেই ফলের দামও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
শহরের শিমরান হোটেলের এক ইফতার বিক্রেতা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ইফতারি কিনতে আসছেন। এখন পর্যন্ত বিক্রি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে ভিড় আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রমজান শুরুর আগ পর্যন্ত প্রায় সব পণ্যের যে দাম ছিল, প্রথম দিনেই তার অনেকগুলোর দাম বেড়ে গেছে। ফলে অনেকটাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে স্বাদ ও সাধ্যের সমন্বয় করার চেষ্টা করছেন ক্রেতারা।

আপনার মতামত লিখুন