চাঁপাইনবাবগঞ্জ–রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল আজ প্রায় ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। ভোর পৌনে ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা জংশন এলাকায় একটি তেলবাহী ট্রেনের চারটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে রহনপুর‑রাজশাহী রুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, লাইনচ্যুতির ফলে লোকাল ও মালবাহী ট্রেনগুলোও গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘ প্রায় ৯ ঘণ্টার তৎপরতার পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে লাইনচ্যুত ওয়াগনগুলো সরিয়ে রুটটি পুনরায় খোলা হয়।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, রুটে যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আটকা পড়া ট্রেনগুলোও ধাপে ধাপে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার কাজে কিছুটা জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তবে সময়মতো কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী এবং মাল পরিবহনে বিলম্ব ও ঝামেলা দেখা দেয়। রেল যাত্রীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় সন্তুষ্ট হলেও, পুনরায় এমন দুর্ঘটনা এড়াতে রেলওয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আরও উন্নতির দাবি তুলেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ–রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল আজ প্রায় ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। ভোর পৌনে ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা জংশন এলাকায় একটি তেলবাহী ট্রেনের চারটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে রহনপুর‑রাজশাহী রুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, লাইনচ্যুতির ফলে লোকাল ও মালবাহী ট্রেনগুলোও গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘ প্রায় ৯ ঘণ্টার তৎপরতার পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে লাইনচ্যুত ওয়াগনগুলো সরিয়ে রুটটি পুনরায় খোলা হয়।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, রুটে যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আটকা পড়া ট্রেনগুলোও ধাপে ধাপে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার কাজে কিছুটা জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তবে সময়মতো কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী এবং মাল পরিবহনে বিলম্ব ও ঝামেলা দেখা দেয়। রেল যাত্রীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় সন্তুষ্ট হলেও, পুনরায় এমন দুর্ঘটনা এড়াতে রেলওয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আরও উন্নতির দাবি তুলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন