ভোলা সদর উপজেলার চরছিফলী গ্রামে এক কিশোর তার মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত কিশোরের নাম মোহাম্মদ ফাহিম (১২), স্থানীয় বাসিন্দা এবং মো. জসিমের বড় ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম তার মায়ের সঙ্গে কিছু ছোটখাট বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি করে। এর পর সে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকেরা তাকে খুঁজতে বের হলে, তিনি বসতঘরের বাইরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখা যায়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। নিহত কিশোরের মামা জানিয়েছেন, ফাহিম প্রায়ই মানসিক চাপ অনুভব করত এবং মায়ের সঙ্গে বকাঝকিতে অভিমান করেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করান যে, ছোট কিশোররা কখনও কখনও পরিবারের সাধারণ ঝামেলাকে অত্যন্ত গভীরভাবে অনুভব করে এবং তার প্রতিক্রিয়ায় চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই ধরনের ঘটনায় পরিবারের পাশে থাকা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। গত বছর গাজীপুরে একজন কিশোর মোবাইল কিনতে না পেরে বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছিলেন। কলাপাড়ায়ও এক কিশোরী মায়ের বকাঝকির পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যদি কোনো কিশোর মানসিক চাপ, হতাশা বা অভিমান দেখায়, তবে তাকে শান্তভাবে কথা বলা, মন খুলে শোনা এবং প্রয়োজনে পেশাদার মানসিক সহায়তা নেওয়া উচিত। পরিবার ও সমাজের উচিত এই ধরনের পরিস্থিতি চিহ্নিত করা এবং কিশোরদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলা সদর উপজেলার চরছিফলী গ্রামে এক কিশোর তার মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত কিশোরের নাম মোহাম্মদ ফাহিম (১২), স্থানীয় বাসিন্দা এবং মো. জসিমের বড় ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম তার মায়ের সঙ্গে কিছু ছোটখাট বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি করে। এর পর সে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকেরা তাকে খুঁজতে বের হলে, তিনি বসতঘরের বাইরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখা যায়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। নিহত কিশোরের মামা জানিয়েছেন, ফাহিম প্রায়ই মানসিক চাপ অনুভব করত এবং মায়ের সঙ্গে বকাঝকিতে অভিমান করেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করান যে, ছোট কিশোররা কখনও কখনও পরিবারের সাধারণ ঝামেলাকে অত্যন্ত গভীরভাবে অনুভব করে এবং তার প্রতিক্রিয়ায় চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই ধরনের ঘটনায় পরিবারের পাশে থাকা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। গত বছর গাজীপুরে একজন কিশোর মোবাইল কিনতে না পেরে বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছিলেন। কলাপাড়ায়ও এক কিশোরী মায়ের বকাঝকির পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যদি কোনো কিশোর মানসিক চাপ, হতাশা বা অভিমান দেখায়, তবে তাকে শান্তভাবে কথা বলা, মন খুলে শোনা এবং প্রয়োজনে পেশাদার মানসিক সহায়তা নেওয়া উচিত। পরিবার ও সমাজের উচিত এই ধরনের পরিস্থিতি চিহ্নিত করা এবং কিশোরদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

আপনার মতামত লিখুন