কুড়িগ্রামে সম্পত্তি বণ্টনের দাবিতে বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে মৃত ব্যক্তির বড় ছেলের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় মরদেহ দাফনের কথা থাকলেও রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্থানীয়দের দেনদরবার চলতে থাকে। এ সময় কাফন করা মরদেহ বাড়ির উঠানে খাটিয়ায় পড়ে ছিল।
ঘটনাটি ঘটেছে জেলার নাগেশ্বরী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারি পায়রাডাঙ্গা বাজার এলাকায়।
প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে ৯০ বছর বয়সে মারা যান আজিজার রহমান। রীতি অনুযায়ী পরদিন সকাল ১১টায় জানাজা শেষে দাফনের জন্য মাইকিং করা হয় এবং কাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তবে দাফনে বাধা দেন মৃতের বড় ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৫)।
আব্দুল হাকিমের অভিযোগ, তার বাবার প্রথম স্ত্রীর চার সন্তান—তিনি নিজে, জোসনা, ময়না ও আজিমন বিবি। প্রথম স্ত্রী জয়গুন মারা যাওয়ার পর আজিজার রহমান রহিমা নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান রফিকুল ইসলাম ও আকলিমার নামে জীবদ্দশায় গোপনে সব সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি এবং দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ কারণেই দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিবেশী খয়বর আলী ও আক্কাছ আলীসহ অনেকে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জীবিত অবস্থায় বিষয়টির সমাধান হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানাজায় অংশ নিতে এলাকাবাসী জড়ো হলে প্রথম পক্ষের সন্তানরা দাফনে আপত্তি জানান। তারা দাবি করেন, সম্পত্তি সমানভাবে বণ্টন করে দলিল সম্পন্ন করার পর দাফন করতে হবে।
জানা গেছে, সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করলেও সমাধান হয়নি। সন্ধ্যার পর আবারও চেষ্টা চালানো হলেও রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোনো সমাধান না হওয়ায় বাড়ির উঠানে খাটিয়ায় মরদেহ পড়ে ছিল।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি তারা জেনেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুড়িগ্রামে সম্পত্তি বণ্টনের দাবিতে বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে মৃত ব্যক্তির বড় ছেলের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় মরদেহ দাফনের কথা থাকলেও রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্থানীয়দের দেনদরবার চলতে থাকে। এ সময় কাফন করা মরদেহ বাড়ির উঠানে খাটিয়ায় পড়ে ছিল।
ঘটনাটি ঘটেছে জেলার নাগেশ্বরী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারি পায়রাডাঙ্গা বাজার এলাকায়।
প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে ৯০ বছর বয়সে মারা যান আজিজার রহমান। রীতি অনুযায়ী পরদিন সকাল ১১টায় জানাজা শেষে দাফনের জন্য মাইকিং করা হয় এবং কাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তবে দাফনে বাধা দেন মৃতের বড় ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৫)।
আব্দুল হাকিমের অভিযোগ, তার বাবার প্রথম স্ত্রীর চার সন্তান—তিনি নিজে, জোসনা, ময়না ও আজিমন বিবি। প্রথম স্ত্রী জয়গুন মারা যাওয়ার পর আজিজার রহমান রহিমা নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান রফিকুল ইসলাম ও আকলিমার নামে জীবদ্দশায় গোপনে সব সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি এবং দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ কারণেই দাফনে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিবেশী খয়বর আলী ও আক্কাছ আলীসহ অনেকে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জীবিত অবস্থায় বিষয়টির সমাধান হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানাজায় অংশ নিতে এলাকাবাসী জড়ো হলে প্রথম পক্ষের সন্তানরা দাফনে আপত্তি জানান। তারা দাবি করেন, সম্পত্তি সমানভাবে বণ্টন করে দলিল সম্পন্ন করার পর দাফন করতে হবে।
জানা গেছে, সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করলেও সমাধান হয়নি। সন্ধ্যার পর আবারও চেষ্টা চালানো হলেও রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোনো সমাধান না হওয়ায় বাড়ির উঠানে খাটিয়ায় মরদেহ পড়ে ছিল।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি তারা জেনেছেন।

আপনার মতামত লিখুন