কাঠের গুঁড়া, ধানের গুঁড়া ও পঁচা মরিচ ব্যবহার করে ভেজাল মশলা উৎপাদনের অভিযোগে শেরপুর সদর উপজেলার একটি মশলা মিলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। শনিবার রাতে কামারের চর ইউনিয়নের ডোবারচর বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইশতিয়াক মজনুন ইশতি, যিনি স্থানীয় প্রশাসন ও শেরপুর সদর থানা–এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় মিল ঘরে এক বস্তা ধানের গুঁড়া, দুই বস্তা পঁচা মরিচ, কাঠের গুঁড়া এবং প্রায় ৮০ কেজি প্রস্তুত ভেজাল মশলা জব্দ করা হয়। এছাড়া মশলা তৈরিতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রঙ ও কেমিক্যালও উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে ভেজাল মশলা তৈরির দায়ে মিল মালিক বাসেদ মিয়া (৪৫)–কে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযোগে তার সহযোগী মো. মিস্টার আলী (৩৫)–কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে জব্দকৃত সব ভেজাল মশলা ও কাঁচামাল জনসম্মুখে নষ্ট করা হয়।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক মজনুন ইশতি বলেন, ভেজাল মশলা মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এ ধরনের কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজারে ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কাঠের গুঁড়া, ধানের গুঁড়া ও পঁচা মরিচ ব্যবহার করে ভেজাল মশলা উৎপাদনের অভিযোগে শেরপুর সদর উপজেলার একটি মশলা মিলে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। শনিবার রাতে কামারের চর ইউনিয়নের ডোবারচর বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইশতিয়াক মজনুন ইশতি, যিনি স্থানীয় প্রশাসন ও শেরপুর সদর থানা–এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় মিল ঘরে এক বস্তা ধানের গুঁড়া, দুই বস্তা পঁচা মরিচ, কাঠের গুঁড়া এবং প্রায় ৮০ কেজি প্রস্তুত ভেজাল মশলা জব্দ করা হয়। এছাড়া মশলা তৈরিতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রঙ ও কেমিক্যালও উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে ভেজাল মশলা তৈরির দায়ে মিল মালিক বাসেদ মিয়া (৪৫)–কে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযোগে তার সহযোগী মো. মিস্টার আলী (৩৫)–কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে জব্দকৃত সব ভেজাল মশলা ও কাঁচামাল জনসম্মুখে নষ্ট করা হয়।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক মজনুন ইশতি বলেন, ভেজাল মশলা মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এ ধরনের কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজারে ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন