মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলায় এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী ও সতীনকে পুলিশ আটক করেছে। নিহত গৃহবধূর নাম সখিনা বেগম। অভিযুক্তরা হলেন তার স্বামী সাইফুল ইসলাম ও তৃতীয় স্ত্রী সাবিনা আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি তৃতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী সখিনা এবং তৃতীয় স্ত্রী সাবিনার মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। শনিবার রাত থেকে চলা এই বিরোধের পর সকালে সখিনাকে শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
নিহতের মেয়ে অভিযোগ করেছেন, তার বাবা ও সৎ মা মিলে এই নৃশংস কাজটি করেছেন। স্থানীয়রা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঘিওর থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্বামী ও সতীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় হত্যার মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মামলাটি দ্রুততম সময়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে।
থানা কর্মকর্তারা জানান, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত নৃশংস ঘটনা। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলায় এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী ও সতীনকে পুলিশ আটক করেছে। নিহত গৃহবধূর নাম সখিনা বেগম। অভিযুক্তরা হলেন তার স্বামী সাইফুল ইসলাম ও তৃতীয় স্ত্রী সাবিনা আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি তৃতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী সখিনা এবং তৃতীয় স্ত্রী সাবিনার মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। শনিবার রাত থেকে চলা এই বিরোধের পর সকালে সখিনাকে শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
নিহতের মেয়ে অভিযোগ করেছেন, তার বাবা ও সৎ মা মিলে এই নৃশংস কাজটি করেছেন। স্থানীয়রা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঘিওর থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্বামী ও সতীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় হত্যার মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মামলাটি দ্রুততম সময়ে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে।
থানা কর্মকর্তারা জানান, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত নৃশংস ঘটনা। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন