পবিত্র রমজান মাসের ঠিক আগেই রাজবাড়ীর কাঁচা বাজারগুলোতে লেবুর দাম দ্রুত বেড়ে গেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রোজার পূর্ব মুহূর্তে ইফতারী প্রস্তুতি ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে লেবুর দর আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। আজকের বিভিন্ন সংবাদ ও বাজার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত কয়েকদিনে বাজারে দেখা গেছে মাঝারি আকারের এক হালি (প্রায় ৪ টি লেবু) সাধারণত ৫০–৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০–৮০ টাকা বা তারও বেশি হয়ে গেছে। অনেক ক্রেতা একই হালি লেবুর দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছেন বলে জানান দোকানে গুলে গিয়ে দেখা যায়।
বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রোজার ইফতারে লেবুর শরবত এবং খাবারে ব্যবহার সাধারণ সময়ের তুলনায় বহু বেশি হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে। পাশাপাশি স্থানীয় কিছু বিক্রেতা ও গ্রাহক মনে করেন সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়ে গেছে। লেবুর সরবরাহ শীতের শুরুর সময় হওয়ায় অনেক গাছেই ফল কম পাওয়া যাচ্ছে, ফলে বাজারে পণ্য আগের মতো ঢুকছে না।
এক ক্রেতা বলেন, “এক সপ্তাহ আগে যেখানে আমি এক হালি লেবু মাত্র ২০–৩০ টাকায় কিনতাম, এখন সেই একই হালি ৭০–৮০ টাকার উপরে।” অনেক ক্রেতা বলছেন, এত বেশি দামে প্রতিদিন লেবু কেনা তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, লেবুর উৎপাদন বৃদ্ধির মৌসুম এখন নয়, তাই বারোমাসি বা সীমিত পরিমাণ ফল বাজারে আসে। এছাড়া কিছু ব্যবসায়ী লেবু সংগ্রহ করে রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে রোজা শুরুর সময় দাম আরও বাড়ানো যায়। এ কারণে ক্রেতাদের মধ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরির মত অভিযোগও ওঠেছে।
রাজবাড়ীর জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলেন, তারা বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু ক্রেতারা মনে করেন প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর হওয়া উচিত যাতে সাধারণ মানুষ অযাচিত মুনাফাবাজি ও দর বৃদ্ধি থেকে বাঁচতে পারে।
এ পরিস্থিতি শুধুমাত্র রাজবাড়ী সীমাবদ্ধ নয়; ঢাকার বিভিন্ন কাঁচা বাজারেও লেবুর দাম উর্ধ্বগতির লক্ষণ দেখা গেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে মাঝারি সাইজের লেবুর দাম কিছু ক্ষেত্রে ১২০ টাকা বা তারও বেশি পর্যন্ত উঠেছে। এসব তথ্য ইঙ্গিত দেয়, রমজান মাস ঘিরে দেশের বাজারগুলোতে লেবুর মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বাড়ছে।
রমজানের আগেই রাজবাড়ীতে লেবুর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে মার্চের শুরুতে চার হালি লেবুর দাম ৫০–৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০–১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। ইফতারী চাহিদা, সরবরাহ কম হওয়া এবং ব্যবসায়ীদের সংগ্রহের কারণগুলো মিলেমিশে দাম বাড়িয়েছে, যা গ্রাহকদের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করছে। প্রশাসনিক নজরদারি আনার দাবিও ওঠেছে বাজারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসের ঠিক আগেই রাজবাড়ীর কাঁচা বাজারগুলোতে লেবুর দাম দ্রুত বেড়ে গেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রোজার পূর্ব মুহূর্তে ইফতারী প্রস্তুতি ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে লেবুর দর আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। আজকের বিভিন্ন সংবাদ ও বাজার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত কয়েকদিনে বাজারে দেখা গেছে মাঝারি আকারের এক হালি (প্রায় ৪ টি লেবু) সাধারণত ৫০–৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০–৮০ টাকা বা তারও বেশি হয়ে গেছে। অনেক ক্রেতা একই হালি লেবুর দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছেন বলে জানান দোকানে গুলে গিয়ে দেখা যায়।
বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রোজার ইফতারে লেবুর শরবত এবং খাবারে ব্যবহার সাধারণ সময়ের তুলনায় বহু বেশি হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে। পাশাপাশি স্থানীয় কিছু বিক্রেতা ও গ্রাহক মনে করেন সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়ে গেছে। লেবুর সরবরাহ শীতের শুরুর সময় হওয়ায় অনেক গাছেই ফল কম পাওয়া যাচ্ছে, ফলে বাজারে পণ্য আগের মতো ঢুকছে না।
এক ক্রেতা বলেন, “এক সপ্তাহ আগে যেখানে আমি এক হালি লেবু মাত্র ২০–৩০ টাকায় কিনতাম, এখন সেই একই হালি ৭০–৮০ টাকার উপরে।” অনেক ক্রেতা বলছেন, এত বেশি দামে প্রতিদিন লেবু কেনা তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, লেবুর উৎপাদন বৃদ্ধির মৌসুম এখন নয়, তাই বারোমাসি বা সীমিত পরিমাণ ফল বাজারে আসে। এছাড়া কিছু ব্যবসায়ী লেবু সংগ্রহ করে রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে রোজা শুরুর সময় দাম আরও বাড়ানো যায়। এ কারণে ক্রেতাদের মধ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরির মত অভিযোগও ওঠেছে।
রাজবাড়ীর জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলেন, তারা বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু ক্রেতারা মনে করেন প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর হওয়া উচিত যাতে সাধারণ মানুষ অযাচিত মুনাফাবাজি ও দর বৃদ্ধি থেকে বাঁচতে পারে।
এ পরিস্থিতি শুধুমাত্র রাজবাড়ী সীমাবদ্ধ নয়; ঢাকার বিভিন্ন কাঁচা বাজারেও লেবুর দাম উর্ধ্বগতির লক্ষণ দেখা গেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে মাঝারি সাইজের লেবুর দাম কিছু ক্ষেত্রে ১২০ টাকা বা তারও বেশি পর্যন্ত উঠেছে। এসব তথ্য ইঙ্গিত দেয়, রমজান মাস ঘিরে দেশের বাজারগুলোতে লেবুর মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বাড়ছে।
রমজানের আগেই রাজবাড়ীতে লেবুর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে মার্চের শুরুতে চার হালি লেবুর দাম ৫০–৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০–১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। ইফতারী চাহিদা, সরবরাহ কম হওয়া এবং ব্যবসায়ীদের সংগ্রহের কারণগুলো মিলেমিশে দাম বাড়িয়েছে, যা গ্রাহকদের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করছে। প্রশাসনিক নজরদারি আনার দাবিও ওঠেছে বাজারে।

আপনার মতামত লিখুন