শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার খাটরা গ্রামে সোমবার বিকেলে এক বিএনপি সমর্থক কর্মীর মরদেহ একটি আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় জয়নুদ্দিন ঢালী (৫০) নামে শনাক্ত হয়েছে। তিনি স্থানীয় শ্রমিক দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রোববার রাতে খাবার খাওয়ার পর জয়নুদ্দিন বাড়ি থেকে বের হন এবং আর ফিরে আসেননি। নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর পরিবারের লোকজন থানায় যোগাযোগ করেন। সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা বিলের কাছে থাকা একটি আমগাছে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের পরিবার দাবি করেছেন, জয়নুদ্দিন নিরীহ একজন মানুষ ছিলেন এবং তার অকাল মৃত্যু এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এখনো এ ঘটনা হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সকল সম্ভাব্য দিক বিবেচনা করে তদন্ত চালাচ্ছে।
স্থানীয়রা ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নিরাপত্তা ও সহনশীলতার ওপর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার খাটরা গ্রামে সোমবার বিকেলে এক বিএনপি সমর্থক কর্মীর মরদেহ একটি আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় জয়নুদ্দিন ঢালী (৫০) নামে শনাক্ত হয়েছে। তিনি স্থানীয় শ্রমিক দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রোববার রাতে খাবার খাওয়ার পর জয়নুদ্দিন বাড়ি থেকে বের হন এবং আর ফিরে আসেননি। নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর পরিবারের লোকজন থানায় যোগাযোগ করেন। সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা বিলের কাছে থাকা একটি আমগাছে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের পরিবার দাবি করেছেন, জয়নুদ্দিন নিরীহ একজন মানুষ ছিলেন এবং তার অকাল মৃত্যু এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এখনো এ ঘটনা হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সকল সম্ভাব্য দিক বিবেচনা করে তদন্ত চালাচ্ছে।
স্থানীয়রা ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় নিরাপত্তা ও সহনশীলতার ওপর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন