কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে পুলিশ তিনটি রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, সকালে ওই পরিবারের কোনো সাড়া‑শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তারা তিনজনের রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, নিহতরা হচ্ছেন মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং তার এক সন্তান ও আরেক শিশু। তাদের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে। প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, এমনটাই স্থানীয়রা জানিয়েছে।
ঘটনাস্থলেই এলাকা পরিবেষ্টিত থাকায় স্বজন ও প্রতিবেশীরা শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, “শকরের মতো শান্তমানুষেরা কখনো এমন কাজের সাথে যুক্ত হতে পারে না,” এমন মন্তব্য করা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিবারের কেউ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ জানায়, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ চলছে। পুলিশ সন্দেহভাজন বা ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং তারা দ্রুত দোষীদের সনাক্ত করে বিচার দাবি করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে পুলিশ তিনটি রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, সকালে ওই পরিবারের কোনো সাড়া‑শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তারা তিনজনের রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, নিহতরা হচ্ছেন মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং তার এক সন্তান ও আরেক শিশু। তাদের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে। প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, এমনটাই স্থানীয়রা জানিয়েছে।
ঘটনাস্থলেই এলাকা পরিবেষ্টিত থাকায় স্বজন ও প্রতিবেশীরা শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, “শকরের মতো শান্তমানুষেরা কখনো এমন কাজের সাথে যুক্ত হতে পারে না,” এমন মন্তব্য করা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিবারের কেউ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ জানায়, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ চলছে। পুলিশ সন্দেহভাজন বা ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং তারা দ্রুত দোষীদের সনাক্ত করে বিচার দাবি করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন