ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) সন্ধ্যা—জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ দিয়ে জাতীয় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে তার দল। সোমবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত ‘নোট অব ডিসেন্ট’ কোনো সিদ্ধান্তের অংশ হতে পারে না বলে তারা মনে করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নোট অব ডিসেন্টে স্পষ্ট বক্তব্য থাকা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সেটি যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এনসিপি প্রাথমিকভাবে সই করেনি। পরে দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়, যার ভিত্তিতে সাম্প্রতিক নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এবং ন্যায়ের পক্ষে এসেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, তাদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল এবং এখন সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে ওই সনদ ও গণভোটের আদেশ অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে যাওয়ার মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়ন করা এনসিপির রাজনৈতিক ম্যান্ডেট এবং জনগণ তাদের সে দায়িত্ব দিয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিনে সরকারের আমন্ত্রণে যমুনায় এসে জাতীয় ঐকমত্যের দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছেন তারা। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকেই এনসিপি রাষ্ট্রের নতুন বন্দোবস্ত ও সংস্কারের দাবিতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল, তবে সনদে প্রথম স্বাক্ষরের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন না এবং সইও করেননি।
এ সময় অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) সন্ধ্যা—জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ দিয়ে জাতীয় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে তার দল। সোমবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত ‘নোট অব ডিসেন্ট’ কোনো সিদ্ধান্তের অংশ হতে পারে না বলে তারা মনে করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নোট অব ডিসেন্টে স্পষ্ট বক্তব্য থাকা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু সেটি যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এনসিপি প্রাথমিকভাবে সই করেনি। পরে দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়, যার ভিত্তিতে সাম্প্রতিক নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এবং ন্যায়ের পক্ষে এসেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, তাদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল এবং এখন সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে ওই সনদ ও গণভোটের আদেশ অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে যাওয়ার মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়ন করা এনসিপির রাজনৈতিক ম্যান্ডেট এবং জনগণ তাদের সে দায়িত্ব দিয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিনে সরকারের আমন্ত্রণে যমুনায় এসে জাতীয় ঐকমত্যের দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছেন তারা। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকেই এনসিপি রাষ্ট্রের নতুন বন্দোবস্ত ও সংস্কারের দাবিতে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল, তবে সনদে প্রথম স্বাক্ষরের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন না এবং সইও করেননি।
এ সময় অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন