ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হলেও বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইসি সচিব আখতার হোসেন জানান, তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের কার্যক্রম চলছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে একাধিক আসনে বিজয়ী হলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয় তিনি কোন আসনটি নিজের কাছে রাখতে চান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে কমিশন একটি আসন রেখে বাকিগুলো শূন্য ঘোষণা করতে পারে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুই আসনেই জয়ী হন তারেক রহমান। ঢাকা-১৭ আসনে তিনি পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এএসএম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। বগুড়া-৬ আসনে তিনি ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। সেখানে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।
আইন অনুযায়ী, কোনো আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে বগুড়া-৬ আসনে শিগগিরই নতুন তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও শেরপুর-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করা হয়। এছাড়া আইনি জটিলতায় চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল এখনো ঝুলে আছে। ঘোষিত ২৯৭টি আসনের ফলে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হলেও বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইসি সচিব আখতার হোসেন জানান, তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের কার্যক্রম চলছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রার্থী হতে পারেন। তবে একাধিক আসনে বিজয়ী হলে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয় তিনি কোন আসনটি নিজের কাছে রাখতে চান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে কমিশন একটি আসন রেখে বাকিগুলো শূন্য ঘোষণা করতে পারে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুই আসনেই জয়ী হন তারেক রহমান। ঢাকা-১৭ আসনে তিনি পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এএসএম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। বগুড়া-৬ আসনে তিনি ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। সেখানে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।
আইন অনুযায়ী, কোনো আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে বগুড়া-৬ আসনে শিগগিরই নতুন তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও শেরপুর-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করা হয়। এছাড়া আইনি জটিলতায় চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল এখনো ঝুলে আছে। ঘোষিত ২৯৭টি আসনের ফলে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন