ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন


বিশেষ প্রতিনিধি :
বিশেষ প্রতিনিধি :
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন

নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয়ভাবে নিশ্চিত ধরা হচ্ছে। তবে তার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে এবং কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে বিস্তর আলোচনা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদের বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রীরা যেমন থাকতে পারেন, তেমনি প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধিত্ব রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিসভার আকার ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে আজ রাতের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় যেতে যাওয়া বিএনপি জোটের সামনে বড় প্রশ্ন হলো, যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের কতটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দলটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও সেখানে সব শরিক থাকবে, নাকি কেবল নির্বাচনী জোটের অংশীদাররা স্থান পাবেন—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দলীয় সূত্র বলছে, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের নামও সম্ভাব্য তালিকায় আছে।

নবীনদের মধ্যে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন নতুন মুখ মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর-এর মন্ত্রিসভায় থাকার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এছাড়া আন্দালিব রহমান পার্থ, এনডিএম থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, এলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে আসা শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়ার নামও আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক পদেও একাধিক নিয়োগ আসতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হবে তা জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয়ভাবে নিশ্চিত ধরা হচ্ছে। তবে তার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে এবং কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে বিস্তর আলোচনা।


বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদের বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রীরা যেমন থাকতে পারেন, তেমনি প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধিত্ব রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


মন্ত্রিসভার আকার ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে আজ রাতের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় যেতে যাওয়া বিএনপি জোটের সামনে বড় প্রশ্ন হলো, যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের কতটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দলটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও সেখানে সব শরিক থাকবে, নাকি কেবল নির্বাচনী জোটের অংশীদাররা স্থান পাবেন—তা এখনো স্পষ্ট নয়।


দলীয় সূত্র বলছে, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের নামও সম্ভাব্য তালিকায় আছে।


নবীনদের মধ্যে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন নতুন মুখ মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।


যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর-এর মন্ত্রিসভায় থাকার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এছাড়া আন্দালিব রহমান পার্থ, এনডিএম থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, এলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে আসা শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়ার নামও আলোচনায় রয়েছে।


মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক পদেও একাধিক নিয়োগ আসতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।


এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন মন্ত্রিসভা কেমন হবে তা জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ