কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের এক পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকির ভেতর থেকে ৪ বছর বয়সী একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহত শিশুর নাম সুমাইয়া তাবাসসুম এবং সে প্রবাসী ছালে আহমেদের দ্বিতীয় মেয়ে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকেই সুমাইয়াকে খুঁজছিল স্বজনরা। পরে রাত ৮টার দিকে পাশের বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকিতে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়।
স্থানীয় ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, টয়লেটটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারহীন ছিল এবং ওই এলাকায় দুর্গন্ধ থাকায় কেউ কেউ সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সন্ধ্যায় সুমাইয়াকে না পেয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাকে খুঁজতে বের হয়, তখনই তাঁরা ট্যাংকির ভেতরে শিশুটিকে দেখতে পান। তাঁরা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, যেখানে ডাক্তাররা তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে এবং হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা তা নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে এবং তারা প্রত্যাশা করছেন, দ্রুত ঘটনার প্রকৃত কারণ শনাক্ত হবে।
এ ধরণের ঘটনার নজির দেশের বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেও দেখা গেছে; যেখানে সেপটিক ট্যাংক বা পরিত্যক্ত জায়গা থেকে নিখোঁজ ব্যক্তি বা শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরে তা নিয়ে তদন্ত বা মামলা চলেছে। এটি সামাজিক নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতার দিক থেকে একটি বড় প্রশ্ন হিসাবে উঠেছে।
পুলিশ ও তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং দ্রুততম সময়ে মামলাটি সুষ্ঠুভাবে উদঘাটনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের এক পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকির ভেতর থেকে ৪ বছর বয়সী একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহত শিশুর নাম সুমাইয়া তাবাসসুম এবং সে প্রবাসী ছালে আহমেদের দ্বিতীয় মেয়ে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকেই সুমাইয়াকে খুঁজছিল স্বজনরা। পরে রাত ৮টার দিকে পাশের বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকিতে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়।
স্থানীয় ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, টয়লেটটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারহীন ছিল এবং ওই এলাকায় দুর্গন্ধ থাকায় কেউ কেউ সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সন্ধ্যায় সুমাইয়াকে না পেয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাকে খুঁজতে বের হয়, তখনই তাঁরা ট্যাংকির ভেতরে শিশুটিকে দেখতে পান। তাঁরা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, যেখানে ডাক্তাররা তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে এবং হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা তা নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে এবং তারা প্রত্যাশা করছেন, দ্রুত ঘটনার প্রকৃত কারণ শনাক্ত হবে।
এ ধরণের ঘটনার নজির দেশের বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেও দেখা গেছে; যেখানে সেপটিক ট্যাংক বা পরিত্যক্ত জায়গা থেকে নিখোঁজ ব্যক্তি বা শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরে তা নিয়ে তদন্ত বা মামলা চলেছে। এটি সামাজিক নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতার দিক থেকে একটি বড় প্রশ্ন হিসাবে উঠেছে।
পুলিশ ও তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং দ্রুততম সময়ে মামলাটি সুষ্ঠুভাবে উদঘাটনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন