চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার স্বপ্নীল আবাসিক হোটেলে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং হোটেলের চতুর্থ তলার একাধিক কক্ষে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে পুরুষ ও নারী যাদের নাম পরিচয়ও প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে মাইনউদ্দিন (৩০), মোরশেদ (৩২), ইয়াছমিন (২২), সেতু আক্তার (১৮), সাদিয়া আক্তার সালমা (২৫), রুম্পা শীল (৩০), শারমিন আক্তার (২০), বেবি আক্তার (৩০), আ. গফুর (৩৮) ও বাবুল মিয়া (৩৫)। তাদেরকে বর্তমানে থানায় রাখা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
চট্টগ্রামে পূর্বেও বিভিন্ন সময়ে আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ বা অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চান্দগাঁও ও বহদ্দারহাট এলাকা থেকে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানা যায়, যা পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার অংশ হিসেবে দেখা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার এবং সমাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তদন্ত শেষ হলে পুলিশ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার স্বপ্নীল আবাসিক হোটেলে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং হোটেলের চতুর্থ তলার একাধিক কক্ষে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে পুরুষ ও নারী যাদের নাম পরিচয়ও প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে মাইনউদ্দিন (৩০), মোরশেদ (৩২), ইয়াছমিন (২২), সেতু আক্তার (১৮), সাদিয়া আক্তার সালমা (২৫), রুম্পা শীল (৩০), শারমিন আক্তার (২০), বেবি আক্তার (৩০), আ. গফুর (৩৮) ও বাবুল মিয়া (৩৫)। তাদেরকে বর্তমানে থানায় রাখা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
চট্টগ্রামে পূর্বেও বিভিন্ন সময়ে আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ বা অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চান্দগাঁও ও বহদ্দারহাট এলাকা থেকে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল বলে জানা যায়, যা পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার অংশ হিসেবে দেখা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার এবং সমাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তদন্ত শেষ হলে পুলিশ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

আপনার মতামত লিখুন