সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি সাহেবপাড়া এলাকায় রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। সন্দেহ হলে স্থানীয়রা ভবনের ভেতরে গিয়ে ঢাকনাবিহীন সেপটিক ট্যাংকের মধ্যেই দুর্গন্ধের উৎস খুঁজে পান এবং মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি দীর্ঘদিন ধরে ট্যাংকে ছিল বলেই ব্যাপক পচন ধরা পড়েছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে নেমে তদন্তকারীরা অনুমান করছেন, অন্তত গত ৪–৫ দিন আগে দুর্বৃত্তরা ওই নারীর ওপর আঘাত করে তাকে হত্যা করার পর দেহটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, মরদেহে পরা ছিল কালো রঙের বোরকা, তবে তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। শরীরে পানিতে দীর্ঘ সময় থাকায় পচনের কারণে তার বয়স ও নিয়তি নির্ধারণ করা কঠিন হচ্ছে। পুলিশ মরদেহটি সুরতহাল শেষে নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সিআইডি‑এর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করছে। তদন্তকারীরা সম্ভাব্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ডিএনএ নমুনা এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মৃত নারীর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শতাধিক মানুষ ভিড় করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের উদ্বেগ‑নির্ভর প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তদন্ত ঘটাতে ও দোষীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে। এ পর্যন্ত হত্যার কারণ বা কাদের যুক্ত থাকার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি সাহেবপাড়া এলাকায় রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। সন্দেহ হলে স্থানীয়রা ভবনের ভেতরে গিয়ে ঢাকনাবিহীন সেপটিক ট্যাংকের মধ্যেই দুর্গন্ধের উৎস খুঁজে পান এবং মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি দীর্ঘদিন ধরে ট্যাংকে ছিল বলেই ব্যাপক পচন ধরা পড়েছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে নেমে তদন্তকারীরা অনুমান করছেন, অন্তত গত ৪–৫ দিন আগে দুর্বৃত্তরা ওই নারীর ওপর আঘাত করে তাকে হত্যা করার পর দেহটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, মরদেহে পরা ছিল কালো রঙের বোরকা, তবে তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। শরীরে পানিতে দীর্ঘ সময় থাকায় পচনের কারণে তার বয়স ও নিয়তি নির্ধারণ করা কঠিন হচ্ছে। পুলিশ মরদেহটি সুরতহাল শেষে নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সিআইডি‑এর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করছে। তদন্তকারীরা সম্ভাব্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ডিএনএ নমুনা এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মৃত নারীর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শতাধিক মানুষ ভিড় করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের উদ্বেগ‑নির্ভর প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তদন্ত ঘটাতে ও দোষীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে। এ পর্যন্ত হত্যার কারণ বা কাদের যুক্ত থাকার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন