ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

উখিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

উখিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী গ্রামে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ প্রশাসনের তৎপরতায় বন্ধ করা হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিবাহটি রোধ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কিশোরীর বাবাকে ৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয় যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় বাল্যবিবাহ না হয়। পাত্রপক্ষকেও সতর্ক করা হয়েছে এবং আইনের আওতায় পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা সাংবাদিকদের জানান, “বাল্যবিবাহ আইনত দণ্ডনীয় এবং কন্যাশিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। প্রশাসনের এই পদক্ষেপ শিশুদের সুরক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলেদের ২১ বছর। আইন লঙ্ঘন করলে জরিমানা এবং দণ্ডনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিবাহ রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও শিক্ষা প্রচারণা সমানভাবে জরুরি।

উখিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রশাসন ও স্থানীয় সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কিছু গ্রামকে “বাল্যবিবাহ মুক্ত” ঘোষণা করা হয়েছে। সচেতনতা কর্মসূচি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি এবং শিক্ষা প্রচারণার মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রক্ষা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে শিশুদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


উখিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী গ্রামে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ প্রশাসনের তৎপরতায় বন্ধ করা হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিবাহটি রোধ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কিশোরীর বাবাকে ৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয় যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় বাল্যবিবাহ না হয়। পাত্রপক্ষকেও সতর্ক করা হয়েছে এবং আইনের আওতায় পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা সাংবাদিকদের জানান, “বাল্যবিবাহ আইনত দণ্ডনীয় এবং কন্যাশিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। প্রশাসনের এই পদক্ষেপ শিশুদের সুরক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলেদের ২১ বছর। আইন লঙ্ঘন করলে জরিমানা এবং দণ্ডনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিবাহ রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও শিক্ষা প্রচারণা সমানভাবে জরুরি।

উখিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রশাসন ও স্থানীয় সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কিছু গ্রামকে “বাল্যবিবাহ মুক্ত” ঘোষণা করা হয়েছে। সচেতনতা কর্মসূচি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি এবং শিক্ষা প্রচারণার মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রক্ষা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে শিশুদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ