বরগুনা জেলা জামায়াত‑এর আমির অধ্যাপক মুহিব্বুল্লাহ হারুন রবিবার বিকেলে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত ও অসুস্থ রোগীদের খোঁজখবর নেন। তিনি আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এছাড়া তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে চিকিৎসা সেবার মান ও সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনে জেলা জামায়াত‑এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ‑এর জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দও দিক নির্দেশনা দেন এবং আহতদের জন্য সংগঠনের সহায়তা নিশ্চিতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। জেলা জামায়াত‑এর পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতদের পাশে দাঁড়ানো ও সাধারণ রোগীদের খোঁজ নেওয়া তাঁদের একটি মানবিক দায়িত্ব।
জেলা জামায়াত‑এর নেতারা সকল রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকদের সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সহিংসতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাবিগুলো উপস্থাপন করা উচিত।
বর্তমানে দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরালো অবস্থায় চলে আসায় বিভিন্ন জেলায় বিএনপি ও জামায়াত‑এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও প্রতিহিংসামূলক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। উদাহরণ হিসেবে নাটোরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জন এবং কিছু এলাকায় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে এতে জেলা জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ অনেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রের মতে, জেলা ও উপজেলায় সংঘটিত সহিংসতা ও প্রতিহিংসার কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উভয় অংশই আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন; তাই রাজনৈতিক নেতারা এমন সময় মানবিক সহায়তা ও সমর্থন বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনা জেলা জামায়াত‑এর আমির অধ্যাপক মুহিব্বুল্লাহ হারুন রবিবার বিকেলে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত ও অসুস্থ রোগীদের খোঁজখবর নেন। তিনি আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এছাড়া তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে চিকিৎসা সেবার মান ও সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনে জেলা জামায়াত‑এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ‑এর জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দও দিক নির্দেশনা দেন এবং আহতদের জন্য সংগঠনের সহায়তা নিশ্চিতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। জেলা জামায়াত‑এর পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতদের পাশে দাঁড়ানো ও সাধারণ রোগীদের খোঁজ নেওয়া তাঁদের একটি মানবিক দায়িত্ব।
জেলা জামায়াত‑এর নেতারা সকল রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকদের সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সহিংসতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাবিগুলো উপস্থাপন করা উচিত।
বর্তমানে দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরালো অবস্থায় চলে আসায় বিভিন্ন জেলায় বিএনপি ও জামায়াত‑এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও প্রতিহিংসামূলক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। উদাহরণ হিসেবে নাটোরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জন এবং কিছু এলাকায় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে এতে জেলা জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ অনেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রের মতে, জেলা ও উপজেলায় সংঘটিত সহিংসতা ও প্রতিহিংসার কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উভয় অংশই আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন; তাই রাজনৈতিক নেতারা এমন সময় মানবিক সহায়তা ও সমর্থন বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন