গাইবান্ধা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে নির্বাচনের সময় পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্র দখল, ব্যালটে জাল সিল এবং ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ এনে ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার।
শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের কার্যালয় দারুল আমান ট্রাস্ট মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম সরকার বলেন, নির্বাচনের দিন গাইবান্ধা-৪ আসনের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে তালাবদ্ধ করে রাখেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেন। এরপর কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষ প্রতীকে ব্যালটে সিল মারা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমিরাভাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, কুমিরাভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোচাশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিংহজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রবেশ করে এজেন্টদের বের করে দেন এবং ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই সিল মেরে ব্যালট বাক্সে ভরার মতো অনিয়ম করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮০০ ভোটের স্থলে ২ হাজার ৮০০ ভোট দেখানো হয়েছে এবং সেখানে তার পোলিং এজেন্ট স্বাক্ষর করেননি। আরও অভিযোগ করা হয়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১২০টি ব্যালট দিয়ে বাঁধা বান্ডিলকে ১০০টির বান্ডিল হিসেবে দেখানো হয়েছে, আবার ধানের শীষের ৮০টি ব্যালটের বান্ডিলকে ১০০টি হিসেবে গণনা করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ধানের শীষের বান্ডিলে দাঁড়িপাল্লার ব্যালট ঢুকিয়ে গণনা করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
আব্দুর রহিম সরকার বলেন, দখল হওয়া কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোট গ্রহণ এবং সব কেন্দ্রের ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের আব্দুল করিম সরকার, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রুম্মান ফেরদৌস এবং সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ কার্যাভী।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে নির্বাচনের সময় পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্র দখল, ব্যালটে জাল সিল এবং ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ এনে ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার।
শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের কার্যালয় দারুল আমান ট্রাস্ট মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম সরকার বলেন, নির্বাচনের দিন গাইবান্ধা-৪ আসনের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে তালাবদ্ধ করে রাখেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেন। এরপর কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষ প্রতীকে ব্যালটে সিল মারা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমিরাভাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, কুমিরাভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোচাশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিংহজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রবেশ করে এজেন্টদের বের করে দেন এবং ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই সিল মেরে ব্যালট বাক্সে ভরার মতো অনিয়ম করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮০০ ভোটের স্থলে ২ হাজার ৮০০ ভোট দেখানো হয়েছে এবং সেখানে তার পোলিং এজেন্ট স্বাক্ষর করেননি। আরও অভিযোগ করা হয়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১২০টি ব্যালট দিয়ে বাঁধা বান্ডিলকে ১০০টির বান্ডিল হিসেবে দেখানো হয়েছে, আবার ধানের শীষের ৮০টি ব্যালটের বান্ডিলকে ১০০টি হিসেবে গণনা করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ধানের শীষের বান্ডিলে দাঁড়িপাল্লার ব্যালট ঢুকিয়ে গণনা করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
আব্দুর রহিম সরকার বলেন, দখল হওয়া কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোট গ্রহণ এবং সব কেন্দ্রের ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের আব্দুল করিম সরকার, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রুম্মান ফেরদৌস এবং সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ কার্যাভী।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন