ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে অনেক আসনে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে পরাজয় বরণ করেছেন বিভিন্ন দলের অনেক প্রার্থী।
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রচারণায় দেশের মানুষের মধ্যে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর রাত ৪টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধান হার মেনে মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
পঞ্চগড়-১ আসনে জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক সারজিস আলম আলোচনায় ছিলেন। তিনি এনসিপি’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট পান, তবে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমি ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোটে জয়লাভ করেন। পরাজয় সত্ত্বেও তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান।
ঢাকা-৯ আসনে এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনীম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশগ্রহণ করেন। জামায়াত জোটে এনসিপি’র প্রবেশের কারণে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত হাবীবুর রহমানের কাছে পরাজয় বরণ করেন এবং ফলাফলে তৃতীয় অবস্থান রাখেন।
ঢাকা-১৩ আসনে আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের নেতা মাওলানা মামুনুল হক। ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোটে জয়লাভ করেন। মামুনুল হক ৮৬ হাজার ৬৭ ভোটে পরাজিত হন এবং নির্বাচনের ফলাফলে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।
ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক জামায়াতের কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে হেরে যান। বাতেন ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট পান, আমিনুল হক ৮৪ হাজার ২০৭ ভোটে পরাজিত হন।
খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে মাত্র ২ হাজার ৭০২ ভোটের ব্যবধান হারেন।
জামায়াতের সুপ্রিম কোর্টের জৌষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও হেরে যান। তিনি ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট পান, ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোটে জয়ী হন।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোটে পরাজিত হন। বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোটে বিজয়ী হন।
রংপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোটে।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পান এবং জামানত হারান। বিএনপি প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোটে বিজয়ী হন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩ ভোট পান, ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট পান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে অনেক আসনে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে পরাজয় বরণ করেছেন বিভিন্ন দলের অনেক প্রার্থী।
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রচারণায় দেশের মানুষের মধ্যে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর রাত ৪টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধান হার মেনে মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
পঞ্চগড়-১ আসনে জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক সারজিস আলম আলোচনায় ছিলেন। তিনি এনসিপি’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট পান, তবে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমি ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোটে জয়লাভ করেন। পরাজয় সত্ত্বেও তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান।
ঢাকা-৯ আসনে এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনীম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশগ্রহণ করেন। জামায়াত জোটে এনসিপি’র প্রবেশের কারণে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত হাবীবুর রহমানের কাছে পরাজয় বরণ করেন এবং ফলাফলে তৃতীয় অবস্থান রাখেন।
ঢাকা-১৩ আসনে আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের নেতা মাওলানা মামুনুল হক। ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোটে জয়লাভ করেন। মামুনুল হক ৮৬ হাজার ৬৭ ভোটে পরাজিত হন এবং নির্বাচনের ফলাফলে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।
ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক জামায়াতের কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে হেরে যান। বাতেন ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট পান, আমিনুল হক ৮৪ হাজার ২০৭ ভোটে পরাজিত হন।
খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে মাত্র ২ হাজার ৭০২ ভোটের ব্যবধান হারেন।
জামায়াতের সুপ্রিম কোর্টের জৌষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও হেরে যান। তিনি ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট পান, ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোটে জয়ী হন।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোটে পরাজিত হন। বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোটে বিজয়ী হন।
রংপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোটে।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পান এবং জামানত হারান। বিএনপি প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোটে বিজয়ী হন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩ ভোট পান, ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট পান।

আপনার মতামত লিখুন