ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করবে সেই দল বা জোট, যা বিজয়ী বা সর্বাধিক আসন পাবে। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, অর্থাৎ ১৫০টির বেশি আসন পেয়েছে। তবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাধারণভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা থেকে তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের নিয়ম আছে। কিন্তু বেসরকারি ফলাফল আনুষ্ঠানিক নয়, তাই প্রজ্ঞাপনের পরই শপথ গ্রহণ গণ্য হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সম্ভবত ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে তা হবে না।
আতীতের মতো সাধারণভাবে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার নেই এবং ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শপথ প্রদানকারী মনোনীত ব্যক্তি পাঠ করাতে পারেন। যদি তিন দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ প্রদান করবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
শপথ নেওয়ার পর সরকারের ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার হাতে আসে। রাষ্ট্রপতি ওই দল বা জোটকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাবেন, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। শপথগ্রহণের পরই কার্যভার গ্রহণ গণ্য হবে, এবং আগের সরকারের ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হস্তান্তরিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করবে সেই দল বা জোট, যা বিজয়ী বা সর্বাধিক আসন পাবে। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, অর্থাৎ ১৫০টির বেশি আসন পেয়েছে। তবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাধারণভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা থেকে তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের নিয়ম আছে। কিন্তু বেসরকারি ফলাফল আনুষ্ঠানিক নয়, তাই প্রজ্ঞাপনের পরই শপথ গ্রহণ গণ্য হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সম্ভবত ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে তা হবে না।
আতীতের মতো সাধারণভাবে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার নেই এবং ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শপথ প্রদানকারী মনোনীত ব্যক্তি পাঠ করাতে পারেন। যদি তিন দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ প্রদান করবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
শপথ নেওয়ার পর সরকারের ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার হাতে আসে। রাষ্ট্রপতি ওই দল বা জোটকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাবেন, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। শপথগ্রহণের পরই কার্যভার গ্রহণ গণ্য হবে, এবং আগের সরকারের ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হস্তান্তরিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন