কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার কপুরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল মাজেদকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ঘটনা বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
আজকের নির্বাচনের সময় কুষ্টিয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় ভোটকেন্দ্র সংক্রান্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ) আসনে চারজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় মিরপুর শহিদ স্মৃতি হাই স্কুল কেন্দ্রে ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার চেষ্টার দায়ে দু’জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
বগুড়ার একটি কেন্দ্রে রাতের দিকে অননুমোদিত প্রবেশের অভিযোগে একজন জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে। ফেনী-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ১৬ জনকে আটক বা জরিমানা করা হয়েছে। লাক্ষ্মীপুর ও বাগেরহাটে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বিঘ্নিত করার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ভোটকেন্দ্রে শান্তি বজায় রাখতে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় সক্রিয়। কুষ্টিয়ার ঘটনায় হেফাজতে নেওয়া যুবদল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ভোটকেন্দ্রে প্রশাসনের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তার রোধে আরও সতর্কতার প্রয়োজন।
কুষ্টিয়ায় যুবদল নেতাকে হেফাজতে নেওয়া ঘটনা প্রমাণ করে যে প্রশাসন ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার রোধে সতর্ক অবস্থানে আছে। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম ও অনুপ্রবেশের ঘটনা সুষ্ঠু ভোট কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রশাসনের সক্রিয় পদক্ষেপ এবং নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার কপুরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল মাজেদকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ঘটনা বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রের বাইরে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
আজকের নির্বাচনের সময় কুষ্টিয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় ভোটকেন্দ্র সংক্রান্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ) আসনে চারজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় মিরপুর শহিদ স্মৃতি হাই স্কুল কেন্দ্রে ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার চেষ্টার দায়ে দু’জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
বগুড়ার একটি কেন্দ্রে রাতের দিকে অননুমোদিত প্রবেশের অভিযোগে একজন জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে। ফেনী-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ১৬ জনকে আটক বা জরিমানা করা হয়েছে। লাক্ষ্মীপুর ও বাগেরহাটে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বিঘ্নিত করার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ভোটকেন্দ্রে শান্তি বজায় রাখতে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় সক্রিয়। কুষ্টিয়ার ঘটনায় হেফাজতে নেওয়া যুবদল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ভোটকেন্দ্রে প্রশাসনের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তার রোধে আরও সতর্কতার প্রয়োজন।
কুষ্টিয়ায় যুবদল নেতাকে হেফাজতে নেওয়া ঘটনা প্রমাণ করে যে প্রশাসন ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার রোধে সতর্ক অবস্থানে আছে। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম ও অনুপ্রবেশের ঘটনা সুষ্ঠু ভোট কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রশাসনের সক্রিয় পদক্ষেপ এবং নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন