বাংলাদেশে আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সকাল ৭:৩০ টায় নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪:৩০ ট পর্যন্ত। দেশের ২৯৯টি আসনে প্রায় ১২.৭৭ কোটি মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধিত রয়েছেন, এবং ভোট কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
রাজধানীর ঢাকা‑৬ আসনের একটি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর প্রথম দুই ঘণ্টায় মোট ভোটারদের ৯.৪২ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। এটি প্রথম পর্যায়ে ভোটার অংশগ্রহণের একটি সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সকাল যত এগিয়েছে তত বাড়ছে বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সকাল প্রথম দিকের ভোটদানের হার কিছু কেন্দ্রে কম (প্রায় ৩‑৫%), আবার অনেকে ১০% বা তারও বেশি অংশগ্রহণ দেখিয়েছে।
ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদেরও উপস্থিতি ছিল। অনেক কেন্দ্রে ভোটাররা ফজরের নামাজের পর সরাসরি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন, এবং নারীদের অংশগ্রহণও চোখে পড়ার মতো। ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চিফ নির্বাচন কমিশনার (CEC) এ.এম.এম. নাসির উদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, এই নির্বাচন ‘স্টেজড নয়’ এবং নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের ভোটাররা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে উৎসাহী এবং পরিস্থিতি সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
সরাসরি নির্বাচনটি ২০২৪ সালের বিশাল গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর এই ভোটকে গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে মনিটর করছেন, এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, দিন যত এগোচ্ছে, ভোটের অংশগ্রহণও ক্রমশ বাড়ছে বলে কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান। সকাল থেকে বিকেলের দিকে ভোটদানের হার আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং নির্বাচন কমিশন প্রতি দুই ঘণ্টায় ভোটের অংশগ্রহণের তথ্য প্রকাশ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সকাল ৭:৩০ টায় নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪:৩০ ট পর্যন্ত। দেশের ২৯৯টি আসনে প্রায় ১২.৭৭ কোটি মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধিত রয়েছেন, এবং ভোট কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
রাজধানীর ঢাকা‑৬ আসনের একটি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর প্রথম দুই ঘণ্টায় মোট ভোটারদের ৯.৪২ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। এটি প্রথম পর্যায়ে ভোটার অংশগ্রহণের একটি সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সকাল যত এগিয়েছে তত বাড়ছে বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সকাল প্রথম দিকের ভোটদানের হার কিছু কেন্দ্রে কম (প্রায় ৩‑৫%), আবার অনেকে ১০% বা তারও বেশি অংশগ্রহণ দেখিয়েছে।
ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদেরও উপস্থিতি ছিল। অনেক কেন্দ্রে ভোটাররা ফজরের নামাজের পর সরাসরি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন, এবং নারীদের অংশগ্রহণও চোখে পড়ার মতো। ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চিফ নির্বাচন কমিশনার (CEC) এ.এম.এম. নাসির উদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, এই নির্বাচন ‘স্টেজড নয়’ এবং নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের ভোটাররা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে উৎসাহী এবং পরিস্থিতি সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
সরাসরি নির্বাচনটি ২০২৪ সালের বিশাল গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর এই ভোটকে গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে মনিটর করছেন, এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, দিন যত এগোচ্ছে, ভোটের অংশগ্রহণও ক্রমশ বাড়ছে বলে কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান। সকাল থেকে বিকেলের দিকে ভোটদানের হার আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং নির্বাচন কমিশন প্রতি দুই ঘণ্টায় ভোটের অংশগ্রহণের তথ্য প্রকাশ করছে।

আপনার মতামত লিখুন