আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ২৫ বছর পর ভোট দিয়েছেন। তিনি সকাল পৌনে ৮টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সঙ্গে ছিলেন তার মা রাহাত আরা বেগম ও ছোট বোন মির্জা সাফারুহ। একই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তার বাবা মির্জা ফখরুলও।
ভোট প্রদান শেষে শামারুহ বলেন, তিনি ২০০১ সালে শেষবার ভোট দিয়েছেন এবং প্রায় ২৫ বছর পর আজ আবার ভোট দিতে পেরে আনন্দিত। তিনি জানান, তার বাবা ও অনেক মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের কারণেই আজ ভোটের পরিবেশ এসেছে এবং ভোট দিতে পারায় তিনি খুশি বোধ করছেন। শামারুহ ভোটকে “সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন” অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার মা রাহাত আরা বেগম বলেন, ভোটের পরিবেশ খুব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ছিল, এবং তারা নিরাপদভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। ছোট বোন মির্জা সাফারুহও বলেন, ১৭ বছর পর সুন্দরভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়া দেখে গর্ববোধ করছেন এবং তিনি আল্লাহর কাছে তার বাবার জন্য ভালো ফলাফলের দোয়া করেন।
ঠাকুরগাঁও‑১ আসনে মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম‑ও লড়াই করছেন।
এদিন ভোট কেন্দ্রে ভোর থেকেই ভোটারদের ভিড় লক্ষ করা যায়, অনেকেই ফজর নামাজের পরেই ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান। সারাদেশে সকাল ৭:৩০ টা থেকে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলছে, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগের পর এই নির্বাচন হচ্ছে, এবং তিনি বিশ্বাস করেন এটি দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তিনি বলেন, এটা হবে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যা আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
আজকের এই ভোটে মির্জা শামারুহের অংশগ্রহণ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এটি শুধু তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘ সময় পর শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে নাগরিক হিসেবে অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
২৫ বছর পর ভোট দিতে এসে মির্জা শামারুহ জানিয়েছেন আজকের দিনটি তার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও উৎসবমুখর ভোটগ্রহণের অভিজ্ঞতা পরিবারের সদস্যদের সন্তোষ ও দেশের ভোটারদের মাঝে উৎসাহ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ২৫ বছর পর ভোট দিয়েছেন। তিনি সকাল পৌনে ৮টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সঙ্গে ছিলেন তার মা রাহাত আরা বেগম ও ছোট বোন মির্জা সাফারুহ। একই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তার বাবা মির্জা ফখরুলও।
ভোট প্রদান শেষে শামারুহ বলেন, তিনি ২০০১ সালে শেষবার ভোট দিয়েছেন এবং প্রায় ২৫ বছর পর আজ আবার ভোট দিতে পেরে আনন্দিত। তিনি জানান, তার বাবা ও অনেক মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের কারণেই আজ ভোটের পরিবেশ এসেছে এবং ভোট দিতে পারায় তিনি খুশি বোধ করছেন। শামারুহ ভোটকে “সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন” অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার মা রাহাত আরা বেগম বলেন, ভোটের পরিবেশ খুব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ছিল, এবং তারা নিরাপদভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। ছোট বোন মির্জা সাফারুহও বলেন, ১৭ বছর পর সুন্দরভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়া দেখে গর্ববোধ করছেন এবং তিনি আল্লাহর কাছে তার বাবার জন্য ভালো ফলাফলের দোয়া করেন।
ঠাকুরগাঁও‑১ আসনে মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম‑ও লড়াই করছেন।
এদিন ভোট কেন্দ্রে ভোর থেকেই ভোটারদের ভিড় লক্ষ করা যায়, অনেকেই ফজর নামাজের পরেই ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান। সারাদেশে সকাল ৭:৩০ টা থেকে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলছে, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগের পর এই নির্বাচন হচ্ছে, এবং তিনি বিশ্বাস করেন এটি দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তিনি বলেন, এটা হবে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যা আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
আজকের এই ভোটে মির্জা শামারুহের অংশগ্রহণ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এটি শুধু তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘ সময় পর শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে নাগরিক হিসেবে অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
২৫ বছর পর ভোট দিতে এসে মির্জা শামারুহ জানিয়েছেন আজকের দিনটি তার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও উৎসবমুখর ভোটগ্রহণের অভিজ্ঞতা পরিবারের সদস্যদের সন্তোষ ও দেশের ভোটারদের মাঝে উৎসাহ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন