ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই বহু ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং সকাল থেকেই নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করেন।
মোট ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে আজ ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, কেন্দ্র খোলার আগেই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে অবস্থান নেন এবং কোথাও কোথাও মূল ফটকের সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। ভোট শুরুর আগে ব্যালট পেপার, সিল ও ভোটকক্ষ প্রস্তুতিসহ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়।
ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের ভোট গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আয়োজিত এ নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন, যার মধ্যে ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি আজ গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে সংবিধানের কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে মতামত দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই গণভোটের ফল দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ও শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোর ভেতর ও বাইরে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নির্বাচনী এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন, পাশাপাশি পর্যবেক্ষকরাও মাঠে রয়েছেন।
বিতর্কিত কয়েকটি নির্বাচনের পর দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত এ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের দিকে দেশবাসীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও নজর রয়েছে। ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই বহু ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং সকাল থেকেই নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করেন।
মোট ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে আজ ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, কেন্দ্র খোলার আগেই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে অবস্থান নেন এবং কোথাও কোথাও মূল ফটকের সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। ভোট শুরুর আগে ব্যালট পেপার, সিল ও ভোটকক্ষ প্রস্তুতিসহ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়।
ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের ভোট গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আয়োজিত এ নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন, যার মধ্যে ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি আজ গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে সংবিধানের কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে মতামত দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই গণভোটের ফল দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ও শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোর ভেতর ও বাইরে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নির্বাচনী এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন, পাশাপাশি পর্যবেক্ষকরাও মাঠে রয়েছেন।
বিতর্কিত কয়েকটি নির্বাচনের পর দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত এ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের দিকে দেশবাসীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও নজর রয়েছে। ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন