আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট‑২০২৬কে সামনে রেখে জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটি সমস্ত রাজনৈতিক দল, প্রশাসন এবং ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, ভোটারদের যেন ভয়, হেনস্থা বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই ভোট কেন্দ্রে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়। বিশেষভাবে নারী, সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী ও লিঙ্গ‑বৈচিত্র্যযুক্ত ভোটারদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
জাতিসংঘের বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটে অংশগ্রহণ একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার। তবে সম্প্রতি কিছু নারী ভোটার, প্রার্থী এবং মানবাধিকার কর্মী অনলাইন ও অফলাইনে সাইবার বুলিং, ডিপফেইক ভিডিও, ছবি‑ভিত্তিক হয়রানি এবং সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের ভয়ভীতি ভোটারদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
সংস্থাটি নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজনৈতিক দল, তাদের কর্মী ও সমর্থক এবং প্রশাসনকে ভয়ভীতি, হেনস্থা বা সহিংসতা বরদাস্ত না করার জোর আহ্বান জানাতে হবে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সক্রিয় উদ্যোগ নিতে হবে। জাতিসংঘ আশা করছে, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশে নির্বাচনে প্রায় ১২৭ মিলিয়ন ভোটার অংশগ্রহণ করবে। এ সময়ে ভয়ভীতি বা হুমকি ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে এবং অংশগ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই জাতিসংঘের বার্তা শুধু নীতিগত নয়, এটি বাস্তব প্রয়োগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি ভয়ভীতি-মুক্ত, নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের, রাজনৈতিক দল ও জনগণের সক্রিয় সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে।
জাতিসংঘের এই আহ্বান ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও অংশগ্রহণের মনোভাব জোরদার করবে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং গণতান্ত্রিক করে তুলতে সহায়ক হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি জোরদার করেছে, যাতে সবাই ভয় ছাড়াই ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট‑২০২৬কে সামনে রেখে জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটি সমস্ত রাজনৈতিক দল, প্রশাসন এবং ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, ভোটারদের যেন ভয়, হেনস্থা বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই ভোট কেন্দ্রে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়। বিশেষভাবে নারী, সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী ও লিঙ্গ‑বৈচিত্র্যযুক্ত ভোটারদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
জাতিসংঘের বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটে অংশগ্রহণ একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার। তবে সম্প্রতি কিছু নারী ভোটার, প্রার্থী এবং মানবাধিকার কর্মী অনলাইন ও অফলাইনে সাইবার বুলিং, ডিপফেইক ভিডিও, ছবি‑ভিত্তিক হয়রানি এবং সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের ভয়ভীতি ভোটারদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
সংস্থাটি নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজনৈতিক দল, তাদের কর্মী ও সমর্থক এবং প্রশাসনকে ভয়ভীতি, হেনস্থা বা সহিংসতা বরদাস্ত না করার জোর আহ্বান জানাতে হবে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সক্রিয় উদ্যোগ নিতে হবে। জাতিসংঘ আশা করছে, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশে নির্বাচনে প্রায় ১২৭ মিলিয়ন ভোটার অংশগ্রহণ করবে। এ সময়ে ভয়ভীতি বা হুমকি ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে এবং অংশগ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই জাতিসংঘের বার্তা শুধু নীতিগত নয়, এটি বাস্তব প্রয়োগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি ভয়ভীতি-মুক্ত, নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের, রাজনৈতিক দল ও জনগণের সক্রিয় সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে।
জাতিসংঘের এই আহ্বান ভোটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও অংশগ্রহণের মনোভাব জোরদার করবে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং গণতান্ত্রিক করে তুলতে সহায়ক হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি জোরদার করেছে, যাতে সবাই ভয় ছাড়াই ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন