চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার আবদুল বারী হাট এলাকা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও একটি মাইক্রোবাসসহ তিনজন কর্মী–সমর্থককে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে তাদের চন্দনাইশ থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের যৌথ টহলদারি দলের তল্লাশির সময় ওই মাইক্রোবাস থামিয়ে পরীক্ষা চালানো হয় এবং বড় অঙ্কের নগদ টাকা ও গাড়িটি জব্দ করা হয়। তল্লাশির সময় মাইক্রোবাস চালকসহ তিনজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইলিয়াছ খান বলেন, “রাত প্রায় ১২টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে টাকা ও যান জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী সম্পর্কিত কোন তথ্য পেলেও তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, জব্দ করা নগদ টাকা ও মাইক্রোবাসটি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচার–সম্পর্কিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় সেনাসদস্যদের ঘিরে থাকা একজন ব্যক্তি টাকার বান্ডিল গুনছেন, এবং তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজের পরিচয় মিজানুল হকের এস্টেট ম্যানেজার বলে জানায়।
জিজ্ঞেস করার সময় মাইক্রোবাস চালক বলেন, গাড়িটি রিকুইজিশন করা হয়ে চিহ্নিত হলেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র আজকের অভিযান সময় উপস্থিত ছিল না। বর্তমানে এই ঘটনার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য পাওয়া গেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিযান সম্পর্কিত একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতে মাইক্রোবাসের পাশেই একজন ব্যক্তি টাকা গুনে যাচ্ছেন এবং পরিবেশটি নজরে আসে।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের নগদ অর্থ বহন ও বিতরণ নির্বাচন নিয়মের প্রতি আস্থা ও স্বচ্ছতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, এবং প্রশাসনের এই ধরণের অভিযান নির্বাচনী আচরণ বিধি বাস্তবায়নের কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করলেও, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশে সতর্কতার বার্তা সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার আবদুল বারী হাট এলাকা থেকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও একটি মাইক্রোবাসসহ তিনজন কর্মী–সমর্থককে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে তাদের চন্দনাইশ থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের যৌথ টহলদারি দলের তল্লাশির সময় ওই মাইক্রোবাস থামিয়ে পরীক্ষা চালানো হয় এবং বড় অঙ্কের নগদ টাকা ও গাড়িটি জব্দ করা হয়। তল্লাশির সময় মাইক্রোবাস চালকসহ তিনজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইলিয়াছ খান বলেন, “রাত প্রায় ১২টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে টাকা ও যান জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী সম্পর্কিত কোন তথ্য পেলেও তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, জব্দ করা নগদ টাকা ও মাইক্রোবাসটি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচার–সম্পর্কিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় সেনাসদস্যদের ঘিরে থাকা একজন ব্যক্তি টাকার বান্ডিল গুনছেন, এবং তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজের পরিচয় মিজানুল হকের এস্টেট ম্যানেজার বলে জানায়।
জিজ্ঞেস করার সময় মাইক্রোবাস চালক বলেন, গাড়িটি রিকুইজিশন করা হয়ে চিহ্নিত হলেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র আজকের অভিযান সময় উপস্থিত ছিল না। বর্তমানে এই ঘটনার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য পাওয়া গেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিযান সম্পর্কিত একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতে মাইক্রোবাসের পাশেই একজন ব্যক্তি টাকা গুনে যাচ্ছেন এবং পরিবেশটি নজরে আসে।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে বড় অঙ্কের নগদ অর্থ বহন ও বিতরণ নির্বাচন নিয়মের প্রতি আস্থা ও স্বচ্ছতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, এবং প্রশাসনের এই ধরণের অভিযান নির্বাচনী আচরণ বিধি বাস্তবায়নের কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করলেও, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশে সতর্কতার বার্তা সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন