চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ঠিক আগমুহূর্তে একটি ভোটকেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বৈরাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই চুরির ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় ভোটার ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নাশকতার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরতরা এসে দেখেন যে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য স্থাপিত সিসি ক্যামেরাটি পিলারে নেই। দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে ক্যামেরাটি ভেঙে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভোটের দিনে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ডিজিটাল নজরদারি এড়াতেই পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই ঘটনায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, “ভোটের আগের রাতে এমন পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়।”
ইসলামী ফ্রন্টের (মোমবাতি প্রতীক) প্রার্থী এস এম শাহজাহান এই ঘটনাকে প্রশাসনের ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরি হওয়া প্রশাসনের দুর্বলতা প্রকাশ করে। এতে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত।” অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী এই ঘটনাকে ‘ন্যক্কারজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ক্যামেরা চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি অবগত আছি। আজকের মধ্যেই ওই কেন্দ্রে পুনরায় নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে যেন নির্বাচনী নজরদারিতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।”
উল্লেখ্য, আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ঠিক আগমুহূর্তে একটি ভোটকেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বৈরাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই চুরির ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় ভোটার ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নাশকতার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরতরা এসে দেখেন যে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য স্থাপিত সিসি ক্যামেরাটি পিলারে নেই। দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে ক্যামেরাটি ভেঙে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভোটের দিনে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ডিজিটাল নজরদারি এড়াতেই পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই ঘটনায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, “ভোটের আগের রাতে এমন পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়।”
ইসলামী ফ্রন্টের (মোমবাতি প্রতীক) প্রার্থী এস এম শাহজাহান এই ঘটনাকে প্রশাসনের ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরি হওয়া প্রশাসনের দুর্বলতা প্রকাশ করে। এতে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত।” অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী এই ঘটনাকে ‘ন্যক্কারজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ক্যামেরা চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি অবগত আছি। আজকের মধ্যেই ওই কেন্দ্রে পুনরায় নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে যেন নির্বাচনী নজরদারিতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।”
উল্লেখ্য, আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন