ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ২০ হাজার ২৮৮টি বৈধ অস্ত্র এখনও সংশ্লিষ্ট থানায় জমা পড়েনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এসব লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় থাকলেও মোট অস্ত্রের প্রায় ৪২ শতাংশ এখনও জমা পড়েনি। নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তির নামে থাকা ৪৮ হাজার ২৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত জমা পড়েছে ২৭ হাজার ৯৯৫টি।
নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় এই জমা না পড়া অস্ত্রগুলোকে এখন ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী সহিংসতা ও ভয়ভীতি রোধে এসব অস্ত্রের মালিকদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা এবং গ্রেপ্তারি অভিযান শুরু হয়েছে। আইজিপি বাহারুল আলম স্পষ্ট করেছেন যে, যে কোনো অনিবন্ধিত বা জমা না দেওয়া অস্ত্র নির্বাচনের জন্য একটি বড় হুমকি এবং এগুলো উদ্ধারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ প্রার্থী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ২০ হাজার ২৮৮টি বৈধ অস্ত্র এখনও সংশ্লিষ্ট থানায় জমা পড়েনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এসব লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় থাকলেও মোট অস্ত্রের প্রায় ৪২ শতাংশ এখনও জমা পড়েনি। নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তির নামে থাকা ৪৮ হাজার ২৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত জমা পড়েছে ২৭ হাজার ৯৯৫টি।
নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় এই জমা না পড়া অস্ত্রগুলোকে এখন ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনী সহিংসতা ও ভয়ভীতি রোধে এসব অস্ত্রের মালিকদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা এবং গ্রেপ্তারি অভিযান শুরু হয়েছে। আইজিপি বাহারুল আলম স্পষ্ট করেছেন যে, যে কোনো অনিবন্ধিত বা জমা না দেওয়া অস্ত্র নির্বাচনের জন্য একটি বড় হুমকি এবং এগুলো উদ্ধারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ প্রার্থী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন