আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট দিতে নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে নেমেছে ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
মঙ্গলবার সকাল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ঢল ক্রমেই বাড়তে থাকে। প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার ও প্রবেশমুখে দীর্ঘ সারির পাশাপাশি ভিড়ের চাপে চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে পড়ে। টিকিট না পেয়ে অনেকে বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রা শুরু করেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটসহ অন্যান্য প্রধান রেলস্টেশনেও একই ধরনের চাপ লক্ষ্য করা যায়।
রেলস্টেশনের মতোই গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। যাত্রীরা অভিযোগ করেন বেশ কিছু পরিবহনে টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অনেক বাসে প্রচলিত ভাড়ার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি ভাড়া দাবি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রতিবাদে আশুলিয়া, চন্দ্রা ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীরা সড়ক অবরোধ করেন, ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে ঢাকা–টাঙ্গাইল, ঢাকা–ময়মনসিংহ ও ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে সকাল থেকেই দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। বাড়ি ফেরার এই চাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিল্পাঞ্চল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরা পোশাক শ্রমিকদের ঢল। যানজটের কারণে অনেক যাত্রী দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকেন।
দীর্ঘ চার দিনের ছুটি নির্বাচনের দুই দিন এবং সপ্তাহান্ত মেলায় রাজধানীসহ বড় শহরগুলো থেকে মানুষ বেশি সংখ্যায় বাড়ি ফিরছেন। ফলে ঢাকার অভ্যন্তরে সড়ক ছিল তুলনামূলক ফাঁকা, তবে টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে ছিল জনসমুদ্রের দৃশ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোট দিতে আগ্রহ, ছুটির সুযোগ এবং পরিবারে সময় কাটানোর প্রত্যাশা এই তিনের সমন্বয়ে ঈদের মতো ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেলওয়ে ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে।
ভোটের দিন ও পরবর্তী কয়েক দিনে পরিবহন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট দিতে নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে নেমেছে ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
মঙ্গলবার সকাল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ঢল ক্রমেই বাড়তে থাকে। প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার ও প্রবেশমুখে দীর্ঘ সারির পাশাপাশি ভিড়ের চাপে চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে পড়ে। টিকিট না পেয়ে অনেকে বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রা শুরু করেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটসহ অন্যান্য প্রধান রেলস্টেশনেও একই ধরনের চাপ লক্ষ্য করা যায়।
রেলস্টেশনের মতোই গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালেও ছিল উপচে পড়া ভিড়। যাত্রীরা অভিযোগ করেন বেশ কিছু পরিবহনে টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অনেক বাসে প্রচলিত ভাড়ার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি ভাড়া দাবি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রতিবাদে আশুলিয়া, চন্দ্রা ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীরা সড়ক অবরোধ করেন, ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে ঢাকা–টাঙ্গাইল, ঢাকা–ময়মনসিংহ ও ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে সকাল থেকেই দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। বাড়ি ফেরার এই চাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিল্পাঞ্চল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরা পোশাক শ্রমিকদের ঢল। যানজটের কারণে অনেক যাত্রী দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকেন।
দীর্ঘ চার দিনের ছুটি নির্বাচনের দুই দিন এবং সপ্তাহান্ত মেলায় রাজধানীসহ বড় শহরগুলো থেকে মানুষ বেশি সংখ্যায় বাড়ি ফিরছেন। ফলে ঢাকার অভ্যন্তরে সড়ক ছিল তুলনামূলক ফাঁকা, তবে টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে ছিল জনসমুদ্রের দৃশ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোট দিতে আগ্রহ, ছুটির সুযোগ এবং পরিবারে সময় কাটানোর প্রত্যাশা এই তিনের সমন্বয়ে ঈদের মতো ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেলওয়ে ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে।
ভোটের দিন ও পরবর্তী কয়েক দিনে পরিবহন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন